গাজীপুর জেলা

564

ঢাকা বিভাগের অন্তর্গত একটি গুরূত্বপূর্ণ জেল গাজীপুর।সমতল থেকে কিছু উচুতে এ জেলার অবস্থান।বাংলাদেশের বিণিজিক্য দিকে বিবেচনায় এ শহরের গুরূত্ব অনেক।বাংলাদেশের বড়ো বড়ো কলকারখানা সহ রাপ্তানি পোশাক খাতের প্রধান কেন্দ্রস্থল এ জেলাটি।ইতিহাস ঐহিত্যর এবং প্রাণ বৈচিত্যরে দিক থেকেও এ জেলাটি সবার নিকট পরিচিত।

নাম করণের হতিহাস:-

এক সময়কার প্রাচীন জনপদ ‘ভাওয়াল’ পরগনা বর্তমানে গাজীপুর নামে পরিচিত।এই অঞ্চলের নাম করণের পিছনে রয়েছে এক বর্ণাঢ্য ইতিহাস।

অনেক আগে এ অঞ্চলে ভাওয়াল রাজাদের রাজত্ব চলতো।তাদের উপাধি ছিলো গাজী।তাদের রাজত্বের রেশ ধরেই একটা সময় এ অঞ্চল ভাওয়াল গড় নামে পরিচিত হতে থাকে।বাংলদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে এ অঞ্চলকে জেলাতে রূাান্তর করার প্রয়োজন পরে।সেই সময় গাজী বংশভূত ভাওয়াল রাজাদের রাজত্ব, বিদ্যমান ভাওয়াল এসব দিক বিবেচনা করে “গাজীপুর” নাম প্রস্তাব করা হয়।পরবর্তীতে অনেক  দিক বিবেচনা করে ১৯৮৪ সালে এ অঞ্চলের নাম করণ করা হয় গাজীপুর এবং জেলতে রূপান্তর করা হয়।

ইতিহাস এবং ঐতিহ্য:-

গাজীপুর জেলা তুরাগ নদীর অববাহিকায় গড়ে উঠেছে।বিভিন্ন সময় বিভিন্ন শ্বাসকগোষ্ঠীর এ অঞ্চল শ্বাসন করে।তবে ভাওয়াল রাজাদের বংশধররাই ছিলো এ অঞ্চলের সব থেকে প্রতাবশালী শ্বাসক গোষ্ঠি।তাই গাজীপুরে ভাওয়ার রাজাদের শ্বাসন আমনের বিভিন্ন নিদর্শন এখনো দেখতে পাওয়া যায়।বাংলাদেশের ইতিহাস ঐতিহ্যে অবদান রাখা অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেছেন।যারা পরবর্তীতে বাংলদেশের সম্পদে রূপান্তরীত হন।বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধেও এই জেলার ভূমিকা অনেক।মূলত এ অঞ্চল থেকে স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরূ হয়েছিলো।

দর্শনীয় স্থান সমূহ:-

গাজীপুর জেলায় অনেক দর্শনীয় স্থায় রযেছে যা দেখে প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ ভীর জমায়।

ভাওয়াল রাজবাড়ী(জয়দেবপুর)

একডালা দূর্গ(কাপাসিয়া)

সাকাশ্বর স্তম্ভ(কালিয়াকৈর)

বিল বেলাই

সেন্ট নিকোলাস চার্চ(কালীগজ্ঞ)

জাগ্রত চৌরঙ্গি

ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান

বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক

ভাওয়াল রাজার শ্মশানঘাট

নুহাস পল্লী

পিকনিক স্পট:-

গাজীপুর ভ্রমন বিলাসি বাহ অবকাশ যাপনকারী মানুষের প্রথম পছন্দ।গাজীপুুর শহরকে কেন্দ্র করে অনেক গুলো পিকনিক স্পট,সুটিং স্পট,রিসোর্ট,অবকাশ যাপন কেন্দ্র রয়েছে যা সাধারণ মানুষের নিকট অতি পরিচিত।তাদের কয়েকটি হলো

নন্দন পার্ক

আনসার একাডেমি

সীগার্ল রিসোর্ট

সোহাগপল্লী

নক্ষত্রবাড়ি