নক্ষত্রবাড়ী

486

গাজীপুরে অবস্থিত বেসরকারি রিসোর্টগুলোর মধ্যে সৌন্দর্যমণ্ডিত ‘নক্ষত্রবাড়ী’। নক্ষত্রবাড়ী প্রকৃতিপ্রেমী ও ভ্রমণপিপাসুদের কাছেও অতি জনপ্রিয় নাম।অভিনেতা তৌকীর আহমেদ ও বিপাশা হায়াত দম্পতি প্রকৃতিপ্রেমীদের সব সুযোগ-সুবিধা সংবলিত ঢাকার খুব কাছে একটি রিসোর্ট বানানোর কথা চিন্তা করে১৪ বিঘা জমির ওপর ‘নক্ষত্রবাড়ী’ নির্মাণ করেন। এটি ২০১১ সালের ১৬ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে।

এর বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, পুকুরের পানির ওপর কাঠ-বাঁশের সমন্বয়ে নির্মিত ১১টি কটেজ। যার বারান্দায় বসে রাতের জোছনা বা পূর্ণিমা দেখা যায়। শুধু তাই নয়, প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে যেতে, অতি সৌন্দর্যের কটেজ এগুলো। এখানে বসে শোনা যায় ব্যাঙের ডাক, ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক, জোনাকির আলো ছড়ানো টিপ টিপ বাতি জ্বলা-নিভা। পুকুরের পশ্চিম পাশের পানির ওপর গজারী গাছ দিয়ে নির্মিত এসব কটেজ। কটেজগুলোর ওপর রয়েছে ছনের ছাউনি। পুকুরের পূর্ব পাশে ব্রিটিশ আমলের দরজা-জানালা সংবলিত একটি ঘর রয়েছে। একটু পুবে রয়েছে সুইমিং পুল। রয়েছে আরও একটি বিল্ডিং কটেজ। রয়েছে একটি কনফারেন্স রুম ও খাবার হোটেল। আর এই হোটেলে রয়েছে বাংলা, চাইনিজ, ইন্ডিয়ান, থাই, কন্টিনেন্টাল খাবার।

ভাড়া:

পানির ওপর কটেজগুলো ২৪ ঘণ্টার ভাড়া ১০ হাজার ৭৫২ টাকা। বিল্ডিং কটেজের ভাড়া কাপড়বেড ৮ হাজার ২২২ টাকা এবং টু-ইন বেড ৬ হাজার ৯৫৮ টাকা। দর্শনার্থীদের জন্য প্রবেশ মূল্য ৫০০ টাকা।

যেভাবে যাবেনঃ

গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে সোজা আপনাকে ময়মনসিংহের দিকে যেতে হবে। রাজেন্দ্রপুরের চৌরাস্তায় এসে আপনাকে রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাস অভিমুখে ডান দিকে যেতে হবে। এখান থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে বেইলি ব্রিজ অতিক্রম করে রাজাবাড়ি বাজারে পৌছাতে হবে। রাজাবাড়ি বাজারের অগ্রণী ব্যাঙ্ক থেকে ডানে মোড় নিয়ে প্রায় ১.৫ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করলেই পৌঁছে যাবেন নক্ষত্রবাড়ি রিসোর্ট এন্ড কনফারেন্স সেন্টার।