গৌরাঙ্গ মঠ| ট্র্যাভেল নিউজ বাংলাদেশ

692

মানিকগঞ্জ শহরে পর্যটকদের আকর্ষণ করার মত নানা উপকরণ রয়েছে। তাদের মধ্যে অন্যতম একটি স্থাপনা হল গৌরাঙ্গ মঠ। ১৯২৫ খৃীষ্টাব্দের দিকে বালিয়াটির নয়া তরফের জমিদার মনমোহন রায় চৌধুরী তার স্বর্গীয় পত্নী ইন্দুবালা এবং আদরের দুলালী সুনীতিবালার পুণ্যস্মৃতি রক্ষার্থে বালিয়াটির বিখ্যাত এবং ভারতের উল্লেখযোগ্য গদাই গৌরাঙ্গ মঠের স্বীকৃতপ্রাপ্ত শাখা মঠ স্থাপন করেন। সুউচ্চ চূড়া সমন্বিত মারবেল পাথরের গাত্রাবড়নে উচ্চ পাদপীঠে নির্মিত এই গদাই গৌরাঙ্গ মঠটি মানিকগঞ্জে পুরাকীর্তির গৌরব। তবে ১৯৭১ সনে স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় পাকিস্তান বাহিনী মঠটি ভাঙ্গার চেষ্টা করে এবং পাথরের তৈরী গদাই গৌরাঙ্গ মূর্তি ভেঙ্গে ফেলেছে। এক সময় বৎসরান্তে এ মঠে সমারোহের মধ্য দিয়ে পূজা অর্চনা ও ধর্মালোচনা হতো। দুর দুরান্ত থেকে ভক্ত আর অনুরাগীরা এখানে এসে জমা হতো। বর্তমানে মন্দিরটি কালের স্বাক্ষী হিসেবে টিকে আছে।

মানিকগঞ্জ ঢাকার অদূরে অবস্থিত একটি জেলা। এখানে পর্যটকদের আকর্ষণ করার মত নানা উপকরণ রয়েছে। ইতিপূর্বে এ জেলায় পর্যটন শিল্পের উন্নতির জন্য সরকারি কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। বালিয়াটি ও তেওতা জমিদার বাড়ী সংস্কারের অভাবে ধ্বংসপ্রায় অবস্থায় রয়েছে। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের মাধ্যমে এ প্রাচীন স্থাপনাসমূহ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করলে তৎকালীন ইতিহাস ও ঐতিহ্য ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা পাবে। পর্যটকদের নিরাপত্তা ও হোটেল-মোটেলের ব্যবস্থা করা গেলে পর্যটকরা উল্লিখিত পর্যটন কেন্দ্রসমূহে আসতে আগ্রহী হবে।

যাতায়াত ব্যবস্থাঃ

মানিকগঞ্জ থেকে সড়ক পথে বাসযোগে যাওয়া যায়্। দূরত্ব ১৮ কিঃমিঃ। ভাড়া ১৫/- টাকা। রাত্রি যাপনের ব্যবস্থা নেই।