টাঙ্গাইল জেলা

978

ঢাকা বিভাগের মধ্যে অন্তরভুক্ত জেলা গুলোর মধ্যে আয়তনের দিক থেকে প্রথম এবং জনসংখ্যার ঘণত্বের দিক থেকে ২য় সর্ববৃহৎ জেলা হলো টাঙ্গাইল। যমুনা নদীর অববাহিকায় গড়ে উঠা এই জেলাটি ইতিহাস,ঐতিহ্য,স্বংস্কৃতি,দর্শনীয় স্থান,খাবারের বৈচিত্য,ভূ-প্রকৃতি মিলিয়ে বাংলাদেশের অন্যতম আকর্ষনীয় জেলা। প্রায় ৩৮ লক্ষ বিভিন্ন পেশাবিজি,বিভিন্ন ধর্মের মানুষ এ অঞ্চলে বসবাস করে।এি জেলার মোট জন সংখ্যার প্রায় ৬০% মানুষ শিক্ষিত।১৯৬৯ সালের আগে পর্যন্ত এটা অবিভক্ত ময়মনসিংহ জেলার একটি মহকুমা ছিলো।পরবর্তীতে ১৯৬৯ টাঙ্গাইল মহকুমাকে জেলাতে রূপান্তর করা হয়।

নাম করনের ইতিহাস:-

বাংলাদেশের অন্যান্য জেলার গুলোর মান করনের ইতিহাসের মতোই এই জেলার মান করনের ইতিহাস টা বর্ণাঠ্য।১৭৭৮ সালে রেনেল নাসক একজন ব্যক্তি তার তৈরি করা মানচিত্রে এ অঞ্চলটিকে “আটিয়া” বলে উল্লেখ করেছেন।সেই থেকে ১৮৬৬ সাল পর্যন্ত কোন কাগজ পত্রেই টাঙ্গাইল নামটি খুজে পাওয়া যায় নাহ। পরবর্তীতে ১৮৭০ সালে উক্ত জেলার নতুন নাম করণের সময় টাঙ্গাইল নামটি ব্যবহৃত হয়।

বিশিষ্ট ঐতিহাসি খন্দকার আব্দুর রহিম সাহেবের মতে, ইংরেজ আমলে এ অঞ্চলের লোকেরা উচু জায়গাকে “টান”বলে অবিহিত করতো যা এখনো টাঙ্গালেইর মানুষদের ভাষার মধ্য প্রতচিল।পরবর্তীতে এই টান শব্দের সাথে আইল কথাটা যুক্ত হয়ে টাঙ্গাইল নামের পূর্ণতা পায়।

ইতিহাস ঐতিহ্যগত দিক:-

টাঙ্গাইল জেলা ইতিহাস ঐতিহ্য গত দিক থেকে অত্যন্ত গুরূত্বপূর্ণ একটি জেলা।বাংলাদেশের ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে রয়েছে এমন অনেক ঘটনা এবং অনেক বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ এই জেলাতেতে জন্মগ্রহন করেছেন। বিশেষত বাংলাদেশের শিক্ষায় অবদান রাখা বড়ো বড়ো ব্যক্তিত্ব এই জেলা থেকেই উঠে এসেছেন।তাদের মধ্যে অন্যমতো হলো, মহান গ্রন্থ আল-কুরানের প্রথম বাংলা অনুবাদক,বিশিষ্ট ইসলামিক চিন্তাবিদ,সমাজসেবক, মৌলবী নাইম উদ্দীন।জ্ঞান সমুদ্র নামে খ্যাত আলেম-উদ-দহর টাঙ্গাইল জেলাতে জন্মগ্রহন করেন।

তাছাড়া প্রথম মহিলা কবি করিমুননিশা খানম,মাওলানা আহমদ আলী,মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাষানীআকালুভী,শিক্ষাবিদ জমিদার নওয়াব আলী চৌধুরী,যুধীষ্ঠির দাশ,ড.সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন,দক্ষিণা রজ্ঞণ মজুমদার,ড.সতীশ চন্দ্র দাস গুপ্ত, চিত্রনায়ক এসএম আসলাম তালুকদার মান্না সহ আরো অনেক গুনীজন এঅঞ্চলে জন্ম গ্রহন করেন।বাংলাদেশের স্বাদীনতা যুদ্ধের সময় এ অঞ্চলটিতে ২৬শে মার্চ স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উওোলন করা হয়।মুক্তিযুদ্ধের সময় টাঙ্গাইর জেলা ১১ নাম্বার সেক্টরের অধীনে ছিলো।খাবারে বাহ ভোজনের কি থেকেও এ জেলার সুনাম রয়েছে। টাঙ্গাইলের চমচম পুরো বাংলাদেশ তথা ভারত উপমহাদেসে বিখ্যাত।তাছাড়া টাঙ্গাইলে উৎপাদিত “টাঙ্গাইল শাড়ি” বাংলাদেশের  মহিলা তথা নারীদের অন্যতম প্রিয় একটি বস্তু

দর্শনীয় স্থান সমূহ:-

ঢাকা থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত টাঙ্গাইল জেলাটি বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান এবং ঐতিহাসিক স্থাপনা নিয়ে মাথা উচু করে দাড়িয়ে আছে।

মহেরা জমিদার বাড়ি

করটিয়া জমিদার বাড়ি

পাকুটিয়া জমিদার বাড়ী

২০১ গম্বুজ মসজিদ

আতিয়া মসজিদ

মধুপুর গড়

যমুনা রিসোর্ট

ধনবাড়ী জমিদার বাড়ি

যোগাযোগ ব্যবস্থা:-

টাঙ্গাইল জেলাটি ঢাকার খুব সন্নিকটে হওয়ার এর যোগাযোগ ব্যবস্থা অনেক আরাম দায়ক।ঢাকা শহর থেকে বাহ অন্য যে কোন শহর থেকে সরাসরি বাস যোগে টাঙ্গাইলে জেলতে পরিব্রমন করা যায়।তাছাড়া এই জেলতে রেলসংযোগ ও রয়েছে।মূলত বাংলাদেশের উওর বঙ্গের জেলাগুলির জন্য টাঙ্গালের উপর দিয়েই যেতে হয়।তাই এই জেলতে বড়ো বড়ো মহা সড়ক রয়েছে।