পর্তুগালে সেনজেন ভিসা প্রসেসিং

1742

পর্তুগালে সেনজেন ভিসা প্রসেসিং

 

ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অবৈধ হয়ে পড়া বহু বাংলাদেশি অভিবাসী পাড়ি জমিয়েছিলেন স্বর্গরাজ্য খ্যাত আটলান্টিক পাড়ের দেশ পর্তুগালে। ২০১৫ সালের শুরু থেকে বৈধ অভিবাসনের স্বীকৃতি লাভের আশায় তারা এই দেশটিতে পাড়ি জমিয়েছিলেন। কিন্তু এখন তারা পর্তুগাল ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন। কিছুদিন ধরে পর্তুগিজ অভিবাসন কার্যালয়ের নানা হয়রানি, অবৈধভাবে পর্তুগালে প্রবেশের কারণ দেখিয়ে পর্তুগিজ বর্ডার সার্ভিস (সেফ) কর্তৃক দেশটি ত্যাগের নির্দেশসহ নানা কারণে বাংলাদেশিরা পর্তুগাল ছাড়ছেন।পর্তুগালে সেনজেন ভিসা প্রসেসিং

পর্তুগালের রাজধানী লিসবনের মার্তৃম-মুনিজে বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকা হিসেবে পরিচিত। মার্তৃম-মুনিজের বেনফরমসো নামের একটি সড়কের প্রায় সিংহভাগ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানই বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের মালিকানায়। প্রথম দেখায়, যে কেউ এই সড়ককে বাংলাদেশের কোনো সড়ক হিসেবে মনে করতে পারেন। কারণ এখানে বাংলাদেশিদের নিত্যপ্রয়োজনীয় সব জিনিস রয়েছে, দেশীয় শাক-সবজি, মাংসের দোকান, অসংখ্য বাংলাদেশি খাবারের রেস্তেরাঁসহ অাশপাশের প্রায় সবকটি দালানবাড়িই বাংলাদেশিদের দখলে।

কিন্তু গত কয়েক মাস ধরে ভিসাবিহীন পর্তুগালে প্রবেশ করা অভিবাসীদের জন্য বৈধকরণ প্রক্রিয়া কঠিন থেকে কঠিনতর হয়েছে। অবৈধভাবে পর্তুগালে প্রবেশের কারণ দেখিয়ে পর্তুগাল ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন পর্তুগিজ বর্ডার সার্ভিস (সেফ)। এরপর থেকে ফাঁকা হচ্ছে লিসবনের বাংলাদেশি অধ্যুষিত মার্তৃম মুনিজ এলাকা। যেখানে মাস ছয়েক আগেও সন্ধ্যা হলেই বাংলাদেশি অভিবাসীদের আনাগোনায় মুখর হয়ে উঠতো। সেখানে এখন অভিবাসীদের তেমন ভিড় দেখা যায় না।

অভিবাসীদের সঙ্গে পর্তুগিজ অভিবাসন কার্যালয়ের কঠোর মনোভাবের কারণে পর্তুগাল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন বৈধ অভিবাসনের জন্য স্বীকৃতি লাভের আশায় দীর্ঘ দিন ধৈর্য ধরে থাকা এসব অভিবাসীরা। ইতোমধ্যে অনেকেই আশাহত হয়ে পর্তুগাল ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন। এদের মধ্যে বেশিরভাগই ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি ও স্পেনে পাড়ি জমাচ্ছেন। তবে সিংহভাগই অবস্থান করছেন ফ্রান্সে।

ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় পর্তুগালে ব্যবসা শুরু করা অধিকতর সহজ হওয়ায় বিগত দিনে অনেক বাংলাদেশি অভিবাসী মিনি সুপার মার্কেট, কাবাবসপ, কফিসপসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ে প্রচুর অর্থ বিনিয়োগ করেছেন। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই বৈধ কাগজের আশায় এসব ব্যবসায়ে বিনিয়োগ করেছেন। যাদের সিংহভাগই নতুন ব্যবসায়ী হওয়ায় অনেকেই না বুঝে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যবসায়ে বিনিয়োগ করে ধরাশায়ী হয়েছেন। এরপর হঠাৎ অভিবাসন কার্যালয়ের এমন কঠোরতায় অনেকেই বৈধ কাগজ পাওয়া নিয়ে শঙ্কিত হয়ে ও ব্যবসায়ে আলোর মুখ না দেখে ব্যবসা গুটিয়ে ইউরোপের অন্যত্র চলে গেছেন।

এরকমই একজন অভিবাসন প্রত্যাশী ব্যবসায়ী রকিব উদ্দিন। যিনি বৈধ অভিবাসী হওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে ব্রিটেন থেকে পর্তুগালে এসেছিলেন ২০১৫-এর শুরুর দিকে।

এই অভিবাসন প্রত্যাশী ব্যবসায়ী জানান, তিনি ব্রিটেন থেকে তার জমানো ২৮ হাজার পাউন্ড ২০১৫ সালের দিকে পর্তুগালে একটি সুপার মার্কেট ব্যবসায়ে বিনিয়োগ করেন। ২০১৬ সালের মাঝামাঝির দিকে বহু চেষ্টা করেও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানটি টিকিয়ে রাখতে পারেননি। সে বছর শেষের দিকে তার ব্যবস্যা প্রতিষ্ঠানটি পুরোপুরি বন্ধ করে দিতে হয়। এরই মধ্যে ১৮ মাস ধরে তিনি পর্তুগিজ স্যোশাল সিকিউরিটিতে ট্যাক্স-পে করে আসছেন কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এখনো তিনি অভিবাসন কার্যালয়ের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পাননি। বর্তমানে হতাশায় দিন কাটছে তার।

ফারহান জামাল খান নামের আরেক বাংলাদেশি অভিবাসন প্রত্যাশী জানান, ১৬ মাসেরও বেশি সময় ধরে তিনি কাঙ্ক্ষিত রেসিডেন্স কার্ডের জন্য অপেক্ষা করছেন। ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে তিনি পর্তুগিজ বর্ডার সার্ভিস (সেফ) কার্যালয়ে রেসিডেন্স কার্ডের জন্য ফিঙ্গার প্রিন্ট দিয়ে এসেছেন। স্বাভাবিক নিয়মে এক মাসের মধ্যে রেসিডেন্স কার্ড তার হাতে এসে পৌঁছানোর কথা থাকলেও ১৬ মাসেও কার্ড পাননি। তিনি জানান, তার মতো এমন হাজারও বাংলাদেশিরা মাসের পর মাস, বছর পেরিয়ে গেলেও তাদের রেসিডেন্স কার্ড পাচ্ছেন না।

এছাড়াও অনেক বাংলাদেশি অভিবাসীদের সঙ্গে একান্ত আলাপকালে তারা পর্তুগিজ অভিবাসন কার্যালয়ের প্রতি ক্ষোভ ও চরম হতাশা ব্যক্ত করেছেন। অনেকেই দীর্ঘদিন অপেক্ষা করেও এখনো সামাজিক নিরাপত্তা নম্বর (পর্তুগিজ স্যোসাল সিকিউরিটি) পাননি। ফলে চিকিৎসাসহ নানা প্রয়োজনে ব্যাপক ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

অভিবাসন বিশেষজ্ঞ আইনজীবী রুট আলগারভিও`র কাছে অভিবাসন পরিস্থিতি নিয়ে জানতে চাইলে জাগো নিউজকে তিনি বলেন, পর্তুগালে বর্তমানে ভিসাবিহীন প্রবেশকারী অভিবাসীদের বৈধ হওয়ার পথ মোটামুটি বন্ধ বলা চলে। বৈধ উপায়ে ভিসার মেয়াদ থাকা অবস্থায় পর্তুগালে প্রবেশের প্রমাণ স্বরূপ বিমান, বাস বা ট্রেনের টিকিট চাওয়া হচ্ছে। যারা এগুলো দেখাতে ব্যর্থ হচ্ছেন তাদের অাবেদন প্রত্যাখ্যাত করে দেশত্যাগের নির্দেশ দেয়া হচ্ছে। কিন্তু যারা ভিসা থাকাকালীন বৈধ পথে পর্তুগালে প্রবেশের প্রমাণ দেখাতে পারছেন তাদের জন্য পরিস্থিতি স্বাভাবিকই রয়েছে। গত জানুয়ারিতে নতুন করে একটি অভিবাসন আইন হওয়ার কথা থাকলেও এখনো পর্যন্ত নতুন আইন হয়নি।

পর্তুগিজ বর্ডার সার্ভিস (সেফ) কেন এমন কঠোর আচরণ করছে জানতে চাইলে রুট আলগারভিও বলেন, আগের বছরগুলোতে পর্তুগিজ অভিবাসন কার্যালয় আইনের তোয়াক্কা না করে বিপুল স্যংখক অভিবাসীদের যত্রতত্র রেসিডেন্স কার্ড পেতে সাহায্য করেছিলেন। বর্তমান সেফের নতুন কর্মকর্তারা এ বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে নিয়েছেন এবং বিগত দিনে দুর্নীতি ও অনিয়ম বন্ধে তারা এমন কঠোর মনোভাব পোষণ করছেন।

রুট আরও বলেন, ইউরোপীয় সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় পর্তুগিজ সরকারের ওপর ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) চাপ রয়েছে, যে কারণে ভিসাবিহীন অভিবাসীদের ব্যাপারে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) সবসময়ই শঙ্কিত।

 

পর্তুগাল মধ্যে ভিসা প্রক্রিয়াকরণ

 

পপর্তুগাল দুতাবাসের কনস্যুলার সেক্রেটারি মস্কোতে ব্যক্তি বা দূতাবাসে স্বীকৃত একটি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে জমা দেওয়া হয়। ঘটনার সময় ঘনিষ্ঠ আত্মীয়স্বজন (শিশু, বাবা-মা, স্বামী-স্ত্রী, ভাইবোন) একসঙ্গে ভ্রমণ করে, অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে একজন দূতাবাসে দস্তাবেজ জমা দিতে পারেন। অভ্যর্থনা এ রেকর্ডিং যখন, আপনি এই তথ্য নির্দেশ করা উচিত। ডেনজেন প্রাপ্তির জন্য একটি রশিদ উপস্থাপনের দ্বারা, যে কেউ Schengen ভিসা প্রস্তুত সঙ্গে একটি পাসপোর্ট পেতে পারেন।

নথি জমা দেওয়ার জন্য প্রাথমিক রেকর্ড প্রয়োজন। আবেদনপত্রটি ফরম পূরণ করার সময় ফোনটি অন- লাইন করা হয়: (495) 783-66-23, 974-25-08। একটি টোল চার্জ প্রতি মিনিট 90 রুবেল (ন্যূনতম বিল 180 রুবেল)। পেমেন্ট কোম্পানি “Teleperformance রাশিয়া”, যা পর্তুগাল দূতাবাস কল সেন্টার পরিবেশন দ্বারা জারি চালান অনুযায়ী করা হয়। আপনি টার্মিনাল QIWI, অথবা ক্রেডিট কার্ড ভিসা, মাস্টারকার্ড, ইউরো কার্ড, জেসিবি, ডাইনার্স ক্লাবের মাধ্যমে অর্থ প্রদান করতে পারেন। এই ক্ষেত্রে, 1000 রুবেল পরিমাণ আবেদনকারীর কার্ডে অবরুদ্ধ করা হয়, তারপর এক সপ্তাহের মধ্যে কলটির খরচ সমতুল্য অ্যাকাউন্ট থেকে ডেবিট করা হবে এবং ব্যালেন্স কার্ডহারারের অ্যাকাউন্টে ফেরত পাঠানো হবে।

দস্তাবেজ রিসেপশন রেকর্ডে কনস্যুলেট দ্বারা পরিচালিত হয় – 9.30 থেকে 13.00 পর্যন্ত। কনস্যুলেট বন্ধ হওয়ার ঠিক আগে 13.00 টাকায় প্রস্তুত ভিসার সাথে পাসপোর্ট প্রদান করা হয় – যারা 13.00 তারিখে আসে তাদের পাসপোর্ট বিতরণ করে, দূতাবাস বন্ধ হয়ে যায়।

পর্তুগাল সেনজেন ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

  • পাসপোর্ট (পাসপোর্টের মেয়াদ ৬ মাসের বেশি থাকতে হবে)
  • সাম্প্রতিক তোলা দুই কপি ছবি। সাদা পটভূমিতে ছবি তুলতে হবে, চোখে কালো চশমা বা মাথায় টুপি জাতীয় কিছু রাখা যাবে না আর ছবিতে অবশ্যই পুরো মুখমণ্ডল আসতে হবে।
  • ভ্রমণ শেষ হওয়ার পরও অন্তত ছয় মাস মেয়াদ আছে এমন পাসপোর্ট জমা দিতে হবে।
  • পাসপোর্টের ডাটা পেজগুলোর ফটোকপি যুক্ত করতে হবে।
  • অন্তত ৩০ হাজার ইউরো মূল্যমানের স্বাস্থ্য বীমা প্রয়োজন হবে।
  • জমা দেয়া প্রতিটি কাগজের মূলকপির সাথে একটি করে ফটোকপিও দিতে হবে।
  • আবেদনপত্রের ভাষা অথবা ফর্মের ঘরগুলো ইংরেজিতে পূরণ করতে হবে। সুইডিশ, ডেনিশ, অথবা নরওয়েজিয়ান ভাষাতেও পূরণ করা যাবে।
  • শিশুদের ক্ষেত্রে বাবা মা বা বৈধ অভিভাবকের অনুমতিপত্র জমা দিতে হবে। এছাড়া শিশুদের ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে বাবা-মা বা অভিভাবকে অবশ্যই দূতাবাসে উপস্থিত থাকতে হবে।
  • প্রতিটি ভিসার জন্য প্রায় ৬০ ইউরো সমপরিমাণ টাকা এডমিনিস্ট্রেশন ফি হিসেবে জমা দিতে হয়। ভিসা সাক্ষাতকারের পরপরই এই ফি দিতে হয়।

 ভিসা আবেদন প্রোসেস সংক্রান্ত:

যোগাযোগ করুন আমাদের ভিসা সহায়ক ব্যবাস্হাপক এর সাথে

মোবাইল:(+88) 01978569293)

ওয়েবসাইট:  www.airwaysoffice.com
ই-মেইল: myvisaapplicationinfo@gmail.com

বিজনেস ভিসার জন্য যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন হবে:

  • ভ্রমণকারীর পর্তুগালস্থ কোম্পানির পাঠানো আমন্ত্রণপত্রের মূলকপি প্রয়োজন হবে। এই আমন্ত্রণপত্র অবশ্যই ইংরেজি ভাষায় হতে হবে।
  • ভ্রমণকারী বাংলাদেশের যে কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের তরফ থেকে ভ্রমণে যাচ্ছেন সে কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের তরফে ভ্রমণের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করে লেখা চিঠি জমা দিতে হবে। প্রতিষ্ঠানের মালিকের জন্যও একই নিয়ম প্রযোজ্য।
  • বিগত তিন মাসে কোম্পানির ব্যাংক হিসাব বিবরণী।
  • কোম্পানির সার্টিফিকেট অফ ইনকর্পোরেশন অথবা মেমোরেন্ডাম এন্ড আর্টিকেলস অব এসোসিয়েশন (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।
  • ট্রেড লাইসেন্স
  • বাংলাদেশে এবং বাইরে লেনদেনের তথ্য (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।
  • ম্যারেজ সার্টিফিকেট, বার্থ সার্টিফিকেট এবং সন্তান সন্ততির তথ্য (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
  • পর্তুগাল আয়োজিত বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে আরও অতিরিক্ত কিছু কাগজপত্র প্রয়োজন হবে:
    – হোটেলের ঠিকানাসহ হোটেল রিজার্ভেশন এবং
    –  স্টল বরাদ্দ হয়ে থাকলে এক্সিবিটর পাস।

 

পর্তুগাল সেনজেন ভিসার জন্য চার্জ (বিজনেস ভিসার জন্য):

ভিসা ভিসা ফী
সেনজেন ভিসা ৬৫০০ টাকা
দীর্ঘ দিন অবস্থানের জন্য ৬৫০০ টাকা
শিশুদের জন্য (৬ – ১২ বছর) ৩৮০০ টাকা
৬ বছরের ছোট শিশুদের জন্য কোন ভিসা ফী লাগবে না

* ফেব্রুয়ারি ২০১৫ এর তথ্য, ভিসার জন্য আবেদনের চার্জ সময় সাপেক্ষে পরিবর্তন হতে পারে।

 

বন্ধুবান্ধব বা পরিবারের সদস্যের সাথে দেখা করতে যেতে যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন হবে:

  • যার সাথে দেখা করতে যাওয়া হচ্ছে তার সাক্ষরিত গ্যারান্টর ফরম,
  • ম্যারেজ সার্টিফিকেট, বার্থ সার্টিফিকেট এবং সন্তান সন্ততির তথ্য (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে),
  • হোটেল বুকিং (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)। হোটেল বুকিং কনফার্মেশনের ই-মেইল প্রিন্ট আউট গৃহীত হয় না।
  • অন্তত বিগত তিন মাস সময়কালে ব্যক্তিগত হিসাব বিবরণী,
  • ভ্রমণকারী যার সাথে দেখা করতে যাচ্ছেন তার সাথে সম্পর্কর প্রমাণপত্র এবং
  • ফ্লাইট রিজার্ভেশন কপি।

 

পর্তুগাল সেনজেন ভিসার জন্য চার্জ
(
বন্ধুবান্ধব বা পরিবারের সদস্যের সাথে দেখা করতে):

ভিসা ভিসা ফী
সেনজেন ভিসা ৬৫০০ টাকা
দীর্ঘ দিন অবস্থানের জন্য ৬৫০০ টাকা
শিশুদের জন্য (৬ – ১২ বছর) ৩৮০০ টাকা
৬ বছরের ছোট শিশুদের জন্য কোন ভিসা ফী লাগবে না

* ফেব্রুয়ারি ২০১৫ এর তথ্য, ভিসার জন্য আবেদনের চার্জ সময় সাপেক্ষে পরিবর্তন হতে পারে।

 

ভ্রমণ ভিসার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

  • হোটেল বুকিং (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)। হোটেল বুকিং কনফার্মেশনের ই-মেইল প্রিন্ট আউট গৃহীত হয় না।
  • ভ্রমণকারী কোন কোন জায়গায় ভ্রমণ করতে চলেছেন তার বিস্তারিত।
  • ম্যারেজ সার্টিফিকেট, বার্থ সার্টিফিকেট এবং সন্তান সন্ততির তথ্য (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।
  • অন্তত বিগত তিন মাস সময়কালে ব্যক্তিগত হিসাব বিবরণী।

আমাদের ভিসা প্রসেসিং ফি  ১৮০০টকা (অর্থ প্রদানের জন্য এখানে ক্লিক করুন)

পর্তুগাল সেনজেন ভিসার জন্য চার্জ (ভ্রমণ ভিসার ক্ষেত্রে):

ভিসা ভিসা ফী
সেনজেন ভিসা ৬৪০০ টাকা
দীর্ঘ দিন অবস্থানের জন্য ৬৪০০ টাকা
শিশুদের জন্য (৬ – ১২ বছর) ৩৭৫০ টাকা
৬ বছরের ছোট শিশুদের জন্য কোন ভিসা ফী লাগবে না

* ফেব্রুয়ারি ২০১৫ এর তথ্য, ভিসার জন্য আবেদনের চার্জ সময় সাপেক্ষে পরিবর্তন হতে পারে।

 

অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য:

  • পর্তুগাল ভ্রমণের নির্ধারিত তারিখের চার থেকে ছয় সপ্তাহ আগে ভিসা আবেদনপত্র জমা দেয়া উচিত।
  • সাধারণত ১২-১৫ কর্মদিবসের মধ্যেই পোল্যান্ড ভিসা ইস্যু হয়ে যায়। তবে কখন কখন ১ মাস পর্যন্ত লাগতে পারে।
  • ভিসা ইস্যু হওয়ার পর পাসপোর্ট সংগ্রহের সময়ই ভিসা কিভাবে দেয়া হয়েছে সেটা দেখে নেয়া উচিত। কোন সমস্যা থাকলে সাথে সাথেই ভিসা কাউন্টারে জানাতে হবে।
  • শুধু ভিসা আবেদনের সময়ই নয়, পর্তুগাল প্রবেশের সময়ও আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ দেখাতে হয়। কারণ সেনজেন ভিসাই পর্তুগাল প্রবেশের একমাত্র নিশ্চয়তা নয়। তাই আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ ভ্রমণের সময় সাথে রাখতে হবে।

যেকোনো দেশের এয়ার টিকেট, হোটেল বুকিং, হেলিকপ্টার সার্ভিস, টুরিস্ট ভিসা প্রসেসিং এবং প্যাকেজ ট্যুর করে থাকি। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন নিচের ঠিকানায়।

zooFamily (community of aviation & travel)

রোড ৩, হোল্ডিং ৩, সুইট ৩৪,হ্যাপি আর্কেড শপিং মল,ধানমণ্ডি,ঢাকা ১২০৫, বাংলাদেশ। মোবাইল নাম্বার: ০১৭৬৮২৩২৩১১

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here