মিহিন লঙ্কা এয়ারলাইন্স সম্পর্কিত সকল তথ্য ও ঢাকা, বাংলাদেশ বিক্রয় অফিসের ঠিকানা

2347

মিহিন লঙ্কা শ্রীলঙ্কান সরকার দ্বারা পরিচালিত একটি বাজেট এয়ারলাইন্স, দুটি বর্ণে যাদের আইএটিএ কোড “MJ”। তাদের প্রধান হাব, বান্দারানাইকা আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর এবং এখানথেকেই তাঁরা ভারতীয় উপমহাদেশ, উপসাগরীয় দেশগুলো, পাকিস্তান, দক্ষিণপূর্ব এশিয়া এবং পূর্ব আফ্রিকার দেশগুলোতে তাদের নির্ধারিত ফ্লাইট সমূহ পরিচালনা করে থাকে।

শ্রীলঙ্কান এয়ারলাইন্সের সাথে কোডশেয়ার অংশীদারের মাধ্যমে আর ২০টি গন্তব্যে তাদের সেবা দিয়ে থাকে। মিহিন লঙ্কা এয়ারলাইন্স ২০০৬ সালে শ্রীলঙ্কান সরকারের মাধ্যমে তাদের যাত্রা শুরু করে, তবে আনুস্থানিকভাবে তাঁরা ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করে ২০০৭ সালে। লিজ নেয়া দুইটি এয়ারবাস এ৩২০’র মাধ্যমে তাঁরা কলম্ব থেকে তিরুচিরাপল্লি, তিরুবনন্তপুরম, বোধগায়া, ব্যাংকক, সিঙ্গাপুর এবং মালদ্বীপের মত রুটে তাদের সেবা দেয়া শুরু করে।

তবে যাত্রা শুরু করার এক বছরের মদ্ধেই এয়ারলাইন্সটি তাদের লীজ নেয়া বিমান দুটির লীজ হারায়, যাদের প্রকৃত মালিক ছিল যথাক্রমে তুরস্ক ও বুলগেরিয়া। এরই ধারাবাহিকতায় মিহিন লঙ্কা ২০০৮ সালের এপ্রিল মাসে তাদের সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়।

এরপর ২০০৯ সালে মিহিন লঙ্কা আরেকটি এয়ারবাস এ৩২০ লীজ নেয়ার মাধ্যমে তাদের পরিসেবা আবার শুরু করে। এরপর ২০১০ সালে নিজেদের একটি এয়ারবাস এ৩২১ কেনে। পরবর্তীতে ২০১২ সালে তাদের নিজেদের আরো একটি বিমান সংযুক্ত হবার পর মিহিন লঙ্কা ব্যাংকক এবং সিঙ্গাপুরে তাদের পরিসেবা দেয়া শুরু করে।

বাংলাদেশে অনেক ট্রাভেল এজেন্সি আছে যারা মিহিন লঙ্কা এয়ারলাইন্সের টিকেট বিক্রয় করে যাদের মধ্যে অনুমোদন ও নির্ভরতায় এয়ারওয়েজ অফিস বা জু ইনফোটেক অন্যতম। সর্বোচ্চ গ্রাহক সেবা ও গ্রাহক সন্তুস্টি নিশ্চিত করার মাধ্যমে ট্রাভেলজ্যুবিডি গ্রাহকদের মধ্যে সন্তুস্টির সঞ্চার করতে পেরেছে।

ঢাকাস্থ মিহিন লঙ্কা এয়ারলাইন্সের বিক্রয় প্রতিনিধির অফিসে যোগাযোগের ঠিকানা

এয়ারওয়েজ অফিস বা জু ইনফোটেক বাংলাদেশ লিমিটেড
রোড ৩, হোল্ডিং ৩, সুইট ৩৪,
হ্যাপি আর্কেড শপিং মল,
ধানমণ্ডি,ঢাকা ১২০৫, বাংলাদেশ।
মোবাইল নাম্বার: ০১৯৭৮৫৬৯২৯৪– ৯৫-৯৬
ইমেইলঃ airwaysoffice@gmail.com
সকাল ১০.৩০ টা থেকে রাত ৮.৩০টা পর্যন্ত(সপ্তাহে ৭ দিন খোলা)


মিহিন লঙ্কা এয়ারলাইন্সের গ্রাহকের জন্য নির্ধারিত পরিষেবা গুলো:

১)বিমানের টিকেট বুকিং

২) টিকিট বাতিলকরণ,

৩)টিকিটের সময় পরিবর্তন

৪)ভিসা সম্পর্কিত সেবা

৫) অনলাইন চেক ইন

৬)মালপত্র সম্পর্কিত তথ্য

৭) বিমানের তথ্য

৮) বিমানবন্দর সুবিধা সম্পর্কিত তথ্য

৯) বিমানের অভ্যন্তরীণ খবার ব্যবস্থা সম্পর্কিত তথ্য ইন

১০)মালপত্রের নিরপত্তা সম্পর্কিত তথ্য

১১)বহির্গমন সেবা সম্পর্কিত তথ্য

১২)বিমানের অভ্যন্তরীণ বিনোদন সম্পর্কিত তথ্য

১৩) বিমানের বিলম্ব জনিত সমস্যার সমাধান। ইত্যাদি

বিমানের যাত্রীদের খাবার সম্পর্কিত তথ্যঃ প্রতিটি বাণিজ্যিক বিমানের বিনা মূল্যে যাত্রীদের খাবার পরিবেশন করা হয়। এই খাবার বিশেষজ্ঞ এয়ারলাইন ক্যাটারিংদের দ্বারা প্রস্তুত করা হয় এবং সাধারণত বিমানের ভেতর সার্ভিস ট্রলি ব্যবহার করে যাত্রীদের কাছে পৌছানো হয়। কম খরচে বিমান পরিষেবা প্রদানকারী বিমান গুলতে যাত্রীদের কোন ধরনের খাবার সরবরাহ করা হায় না। তবে আপনি চাইলে ফ্লাইট থেকে খাবার কিনতে পারেন।বিমানের ভেতর যাত্রীসেবা সমূহ আরও সুবিধাজনক এবং সুনিশ্চিত করার জন্য যাত্রীদের বিভিন্ন সেবার নাম সম্বলিত প্রাক বই সরবরাহ করা হয়।

ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিমান সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য জানার উপায়: যাত্রীদের ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিমান সম্পর্কিত তথ্য জানার প্রক্রিয়াকে বলে অনলাইন চেক-ইন। এটি এমন প্রক্রিয়া যেখানে যাত্রীরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে তাদের ফ্লাইটে উপস্তিথির তথ্য নিশ্চিত এবং তাদের নিজস্ব বোর্ডিং পাসগুলি মুদ্রণ করতে পারেন।ক্যারিয়ার এবং নির্দিষ্ট ফ্লাইটের ধরনের উপর নির্ভর করে যাত্রীরা তাদের পছন্দের খাবার এবং খাবারের বিকল্প ও মালপত্রের পরিমাণের তথ্য নিশ্চিত করতে পারেন । তাছাড়া যাত্রীরা উক্ত পক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের পছন্দের আসন পূর্বেই নির্বাচন করতে পারে।

#অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট এর ক্ষেত্রে প্রস্থানের নির্ধারিত সময় থেকে  ১ কিংবা ১ঃ৩০ ঘন্টা আগে চেক-ইন করতে হয়।

#যাত্রীরা তাদের ই-বোর্ডিং পাস চেক ইন এর জন্য মোবাইল ওয়েবসাইট বা মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারেন।

# যে সকল যাত্রী অনলাইনে চেক ইন করবে তাদের নিজ উদ্যোগে তাদের বোর্ডিং পাস মুদ্রণ এবং তাদের বিমানবন্দর থেকে বোর্ডিং পাসের জন্য একটি ভাউচার বাধ্যতামূলক গ্রহন করতে হবে

রিজার্ভেশন সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্যঃ ফ্লাইটে উঠার আগে অবশ্যই আপনার বিমানের টিকিটটি পরীক্ষা করুন এবং ভালভাবে নিশ্চিত হন। আপনি যদি আপনার রিজার্ভেশন সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য দেখতে চান তাহলে রিজার্ভেশন থেকে, আপনার রিজার্ভেশন রেফারেন্স বা পিএনআর নাম্বার টি এবং আপনার নামের শেষ অংশটি লিখুন।উক্ত তথ্য গুলো লিখার পর রিজার্ভেশন থেকে আপনি আপনার সকল তথ্য জমা দেখতে পারবেন। আপনি ফ্লাইট পরিবর্তন করতে চাইলে আপনার বুকিং রেফারেন্স নাম্বার এবং আপনার নামের শেষ অংশটি লিখুন। এরপর আপনার বুকমার্ক এ আপনার নামের অংশটুকু একইরকম কিনা সেটা নিশ্চিত করুন।

মিহিন লঙ্কা এয়ারলাইন্সের ঢাকা অফিসের ঠিকানা বা ফোন নাম্বারে সংক্রান্ত যে কোনও সমস্যা / অভিযোগ নীচে কমেন্ট করে জানাতে পারেন।