আইসল্যান্ড ভিসা প্রসেসিং

1654

আইসল্যান্ড ভিসা প্রসেসিং

 

আইসল্যান্ড নাম শুনলেই মনে হয় বরফে ঢাকা এক পৃথিবী যেখানে একমাত্র রঙ হল সাদা। যেখানে সারা বছর ক্রমাগত তুষার পড়ে আর বাতাসে শুধুই তুষারঝড়ের গান। কিন্তু আসলে কি তাই? একদম না! নাম আইসল্যান্ড হলেও এই দেশ মোটেই বরফে ঢাকা নয়! এমনকি তেমন ভয়ঙ্কর ঠাণ্ডাও নয়। বরং এখানে আছে প্রকৃতির অপার্থিব সৌন্দর্য। ভীষণ সক্রিয় আগ্নেয়গিরি থেকে শুরু করে বিশাল হিমবাহ, মেরুপ্রভা, মধ্য রাতের সূর্যের দেখা সহ আরও বিচিত্র দৃশ্য নিয়ে অপরূপ আইসল্যান্ড। আইসল্যান্ড ভিসা প্রসেসিং

গৎবাঁধা জীবনের গণ্ডী পেরিয়ে মাঝে মাঝে চলে যেতে মন চায় অনেক, অনেক দূরের কোথাও যেখানে সব ঝুটঝামেলা থেকে ছুটি কাটানো যাবে। কিন্তু তেমন জায়গা কোথায়? পৃথিবীর সব মনকাড়া জায়গাতেই তো মানুষ আর মানুষ। সেখানে বেড়াতে গেলেও ভিড়ের মাঝে ঠিক যেন প্রকৃতিকে কাছে পাওয়া যায় না। একটা মুহূর্ত কান পেতে শোনা যায় না তার ডাক। তখন আমাদের দরকার হয় এমনই কোনও জায়গা যার সাথে মিল নেই পৃথিবীর আর কোনও স্থানের, মানুষের বদলে যেখানে রাজত্ব করছে প্রকৃতি। এমন জায়গাই হলো আইসল্যান্ড।

 

আইসল্যান্ড নাম শুনলেই মনে হয় বরফে ঢাকাক পৃথিবী যেখানে একমাত্র রঙ হল সাদা। যেখানে সারা বছর ক্রমাগত তুষার পড়ে আর বাতাসে শুধুই তুষারঝড়ের গান। কিন্তু আসলে কি তাই? একদম না! নাম আইসল্যান্ড হলেও এই দেশ মোটেই বরফে ঢাকা নয়! এমনকি তেমন ভয়ঙ্কর ঠাণ্ডাও নয়। বরং কল্পকাহিনীর মতো চোখজুড়ানো সব দৃশ্যপট রয়েছে এই দ্বীপদেশের পুরোটা জুড়ে। আগুন আর বরফ, এই দুয়ের মিলনে আপনার কল্পনাকেও হার মানাবে আইসল্যান্ড। কি আছে আইসল্যান্ডে? প্রকৃতির সবচাইতে চরম দুইটি দশা, জমাট হিমবাহ আর গনগনে সক্রিয় আগ্নেয়গিরি একে অপরকে আলিঙ্গন করে রয়েছে, এমনটা আর কোথায় দেখতে পাবেন আপনি? পাহাড়ি এই দ্বীপের অবস্থান উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে। যদিও মূল ভূখণ্ডের সাথে এর কোনও সংযোগ নেই তবুও একে ইউরোপীয় এবং নরডিক দেশ বলে ধরা হয়। অন্যান্য টুরিস্ট স্পটের মতো ছিমছাম গোছালো নয় এই দেশ। এখানে বেড়াতে এলে আপনাকে হয়ে যেতে হবে অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমী। বছরের বিভিন্ন সময়ে এর দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্যে বিশাল পার্থক্য দেখা যায়। জুন মাসে রাতের আঁধার নামে বটে কিন্তু আকাশ পুরোপুরি অন্ধকার হয় না।

মার্চ এবং সেপ্টেম্বর ইকুইনক্স বা বিষুবের সময়ে দিনরাত্রির দৈর্ঘ্য প্রায় এক হলেও অন্য সময়ে তা হয় না। ডিসেম্বরে প্রায় ২০ ঘণ্টাই সেখানে রাত্রি। আবার গ্রীষ্মকালে এ অবস্থা উল্টে যায় এবং আপনি দেখতে পাবেন চমৎকার একটি দৃশ্য, যা হল “মাঝরাতের সূর্য”! শীতকালে বরফে ঢাকা আইসল্যান্ডের যে সৌন্দর্য তা পাল্টে যায় আবার গ্রীষ্মে এবং দুই ঋতুতে ভিন্ন ভিন্ন ভাবে আপনি উপভোগ করতে পারবেন আপনার আইসল্যান্ড ভ্রমণ। এখানের আবহাওয়া মুহূর্তেই পাল্টে যেতে পারে আর সেই কারণে এখানকার বাসিন্দাদের মাঝে একটি কৌতুক প্রচলিত আছে। “আবহাওয়া তোমার পছন্দ না হলে, পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করো!” এটা এমনই এক জায়গা যেখানে সূর্যের তাপে ত্বক পুড়ে যাবে আবার এর একটু পরেই বৃষ্টিতে ভিজে একসা হয়ে যাবেন আপনি। ধরে নেওয়া হয়, শীতকাল যদি বেশ লম্বা এবং ঠাণ্ডা হয় তবে গ্রীষ্ম হবে বেশ উষ্ণ। এখানে বরফের মাঝে মাঝেও রয়েছে অনেকগুলো উষ্ণ প্রস্রবণ বা স্পা। আইসল্যান্ডের পুরোটাই দর্শনীয় তবে আপনি যদি বিশেষ কিছু স্থান আলাদাভাবে দেখতে চান তার জন্যেও রয়েছে আকর্ষণ। প্রথমেই দেখতে যেতে পারেন গালফস। দুই ধাপে বিভক্ত এই জলপ্রপাত শীতকালে আংশিক জমাট থাকলেও সেটা গরমকালে এসে নিজের পূর্ণ প্রতাপে আবির্ভূত হয়। একটি দীর্ঘ ও গভীর খাদের মধ্যে এসে ঝাপিয়ে পড়ে এই জলপ্রপাত। এখানে যাবার সময় খুব সাবধান থাকা দরকার কারণ এখানে কোনও রেইলিং, ওয়ার্নিং সাইন বা নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেই। এর পরেই রয়েছে ব্লু ল্যাগুন। অপার্থিব এই নীল জল পৃথিবীর আর কোথাও দেখবেন না আপনি, এটা হলফ করে বলা যায়। আগ্নেয়গিরির লাভায় তৈরি ভুমিতে বেষ্টিত, এটা হল আইসল্যান্ডের সবচাইতে বিখ্যাত স্পা। কপাল ভালো থাকলে আপনি এখানে মেরুপ্রভারও দেখা পেয়ে যেতে পারেন।

তো ঘোরে আসুন প্রকৃতির অপার্থিব সৌন্দর্য এই দেশে

 

আইসল্যান্ড ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

  • পাসপোর্ট (পাসপোর্টের মেয়াদ ৬ মাসের বেশি থাকতে হবে)
  • সাম্প্রতিক তোলা দুই কপি ছবি। সাদা পটভূমিতে ছবি তুলতে হবে, চোখে কালো চশমা বা মাথায় টুপি জাতীয় কিছু রাখা যাবে না আর ছবিতে অবশ্যই পুরো মুখমণ্ডল আসতে হবে।
  • ভ্রমণ শেষ হওয়ার পরও অন্তত ছয় মাস মেয়াদ আছে এমন পাসপোর্ট জমা দিতে হবে।
  • পাসপোর্টের ডাটা পেজগুলোর ফটোকপি যুক্ত করতে হবে।
  • অন্তত ৩০ হাজার ইউরো মূল্যমানের স্বাস্থ্য বীমা প্রয়োজন হবে।
  • জমা দেয়া প্রতিটি কাগজের মূলকপির সাথে একটি করে ফটোকপিও দিতে হবে।
  • আবেদনপত্রের ভাষা অথবা ফর্মের ঘরগুলো ইংরেজিতে পূরণ করতে হবে। সুইডিশ, ডেনিশ, অথবা নরওয়েজিয়ান ভাষাতেও পূরণ করা যাবে।
  • শিশুদের ক্ষেত্রে বাবা মা বা বৈধ অভিভাবকের অনুমতিপত্র জমা দিতে হবে। এছাড়া শিশুদের ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে বাবা-মা বা অভিভাবকে অবশ্যই দূতাবাসে উপস্থিত থাকতে হবে।
  • প্রতিটি ভিসার জন্য প্রায় ৬০ ইউরো সমপরিমাণ টাকা এডমিনিস্ট্রেশন ফি হিসেবে জমা দিতে হয়। ভিসা সাক্ষাতকারের পরপরই এই ফি দিতে হয়।

বিজনেস ভিসার জন্য যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন হবে:

  • ভ্রমণকারীর আইসল্যান্ড থেকে কোম্পানির পাঠানো আমন্ত্রণপত্রের মূলকপি প্রয়োজন হবে। এই আমন্ত্রণপত্র অবশ্যই ইংরেজি ভাষায় হতে হবে।
  • ভ্রমণকারী বাংলাদেশের যে কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের তরফ থেকে ভ্রমণে যাচ্ছেন সে কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের তরফে ভ্রমণের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করে লেখা চিঠি জমা দিতে হবে। প্রতিষ্ঠানের মালিকের জন্যও একই নিয়ম প্রযোজ্য।
  • বিগত তিন মাসে কোম্পানির ব্যাংক হিসাব বিবরণী।
  • কোম্পানির সার্টিফিকেট অফ ইনকর্পোরেশন অথবা মেমোরেন্ডাম এন্ড আর্টিকেলস অব এসোসিয়েশন (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।
  • ট্রেড লাইসেন্স
  • বাংলাদেশে এবং বাইরে লেনদেনের তথ্য (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।
  • ম্যারেজ সার্টিফিকেট, বার্থ সার্টিফিকেট এবং সন্তান সন্ততির তথ্য (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
  • আইসল্যান্ড আয়োজিত বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে আরও অতিরিক্ত কিছু কাগজপত্র প্রয়োজন হবে:
    – হোটেলের ঠিকানাসহ হোটেল রিজার্ভেশন এবং
    –  স্টল বরাদ্দ হয়ে থাকলে এক্সিবিটর পাস।

আমাদের ভিসা প্রসেসিং ফি  ১৮০০টকা (অর্থ প্রদানের জন্য এখানে ক্লিক করুন)

আইসল্যান্ড সেনজেন ভিসার জন্য চার্জ (বিজনেস ভিসার জন্য):

ভিসা ভিসা ফী
সেনজেন ভিসা ৬৫০০ টাকা
দীর্ঘ দিন অবস্থানের জন্য ৬৫০০ টাকা
শিশুদের জন্য (৬ – ১২ বছর) ৩৮০০ টাকা
৬ বছরের ছোট শিশুদের জন্য কোন ভিসা ফী লাগবে না

 

 

বন্ধুবান্ধব বা পরিবারের সদস্যের সাথে দেখা করতে যেতে যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন হবে:

  • যার সাথে দেখা করতে যাওয়া হচ্ছে তার সাক্ষরিত গ্যারান্টর ফরম,
  • ম্যারেজ সার্টিফিকেট, বার্থ সার্টিফিকেট এবং সন্তান সন্ততির তথ্য (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে),
  • হোটেল বুকিং (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)। হোটেল বুকিং কনফার্মেশনের ই-মেইল প্রিন্ট আউট গৃহীত হয় না।
  • অন্তত বিগত তিন মাস সময়কালে ব্যক্তিগত হিসাব বিবরণী,
  • ভ্রমণকারী যার সাথে দেখা করতে যাচ্ছেন তার সাথে সম্পর্কর প্রমাণপত্র এবং
  • ফ্লাইট রিজার্ভেশন কপি।

ভ্রমণ ভিসার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

  • হোটেল বুকিং (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)। হোটেল বুকিং কনফার্মেশনের ই-মেইল প্রিন্ট আউট গৃহীত হয় না।
  • ভ্রমণকারী কোন কোন জায়গায় ভ্রমণ করতে চলেছেন তার বিস্তারিত।
  • ম্যারেজ সার্টিফিকেট, বার্থ সার্টিফিকেট এবং সন্তান সন্ততির তথ্য (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।
  • অন্তত বিগত তিন মাস সময়কালে ব্যক্তিগত হিসাব বিবরণী।

 ভিসা আবেদন প্রোসেস সংক্রান্ত:

যোগাযোগ করুন আমাদের ভিসা সহায়ক ব্যবাস্হাপক এর সাথে

মোবাইল:(+88) 01978569293)

ওয়েবসাইট:  www.airwaysoffice.com
ই-মেইল: myvisaapplicationinfo@gmail.com

অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য:

  • আইসল্যান্ড ভ্রমণের নির্ধারিত তারিখের চার থেকে ছয় সপ্তাহ আগে ভিসা আবেদনপত্র জমা দেয়া উচিত।
  • সাধারণত ১২-১৫ কর্মদিবসের মধ্যেই পোল্যান্ড ভিসা ইস্যু হয়ে যায়। তবে কখন কখন ১ মাস পর্যন্ত লাগতে পারে।
  • ভিসা ইস্যু হওয়ার পর পাসপোর্ট সংগ্রহের সময়ই ভিসা কিভাবে দেয়া হয়েছে সেটা দেখে নেয়া উচিত। কোন সমস্যা থাকলে সাথে সাথেই ভিসা কাউন্টারে জানাতে হবে।
  • শুধু ভিসা আবেদনের সময়ই নয়, আইসল্যান্ড প্রবেশের সময়ও আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ দেখাতে হয়। কারণ সেনজেন ভিসাই আইসল্যান্ড প্রবেশের একমাত্র নিশ্চয়তা নয়। তাই আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ ভ্রমণের সময় সাথে রাখতে হবে।

যেকোনো দেশের এয়ার টিকেট, হোটেল বুকিং, হেলিকপ্টার সার্ভিস, টুরিস্ট ভিসা প্রসেসিং এবং প্যাকেজ ট্যুর করে থাকি। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন নিচের ঠিকানায়।

zooFamily (community of aviation & travel)

রোড ৩, হোল্ডিং ৩, সুইট ৩৪,হ্যাপি আর্কেড শপিং মল,ধানমণ্ডি,ঢাকা ১২০৫, বাংলাদেশ। মোবাইল নাম্বার: ০১৭৬৮২৩২৩১১

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here