রাসেল পার্ক

1233

প্রকৃতিপ্রেমীরা একটু ফুরসত পেলেই ঘুরে আসতে চান। প্রকৃতির সবুজ ছায়াঘেরা পরিবেশে নিজেকে কিছু সময়ের জন্য হারিয়ে খুঁজে পান নির্মল আনন্দ। প্রকৃতিপ্রেমীদের কথা চিন্তা করেই ১৯৯০ সালে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানার মুড়াপাড়ায় ব্যক্তিগত উদ্যোগে গড়ে উঠেছিল রাসেল পার্ক। ৩৫ বিঘা জমির ওপর এই পার্কটিতে রয়েছে বিনোদনের নানা আয়োজন।

রূপগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে চমৎকার পথ চলে গেছে রাসেল পার্ক পর্যন্ত। দু`পাশে সবুজের ঘন সমারোহ, দিগন্তপ্রসারী ফসলের মাঠ আপনাকে মুগ্ধ করবে। প্রথমে এটি ছিল একটি বাগানবাড়ি। পরবর্তীতে বাগান বাড়িটি বিনোদন কেন্দ্রে রূপান্তরিত করা হয়। সারিবদ্ধ গজারি বন এখানকার প্রকৃতির রূপ আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

গাছগাছালিতে ভরা এই পার্কটিতে রয়েছে মনোরম দ্বিতল বাংলো। আরও রয়েছে কৃত্রিম লেক, সুসজ্জিত নৌকা, পুকুর, স্লিপার ও দোলনাসহ সবুজ ঘাসে ঢাকা শিশুদের জন্য খেলার মাঠ। এছাড়াও কৃত্রিম হাতি, ঘোড়া, জিরাফ, হরিণ, বাঘ, পুকুরে হাঁস, আঁকাবাঁকা পথের ধারে ঘোড়ার মূর্তি পার্কের সৌন্দর্য বাড়িয়ে তুলেছে। শুধু কৃত্রিম পশুপাখিই নয়, মিনি পার্কের মিনি চিড়িয়াখানায় রয়েছে খরগোশ, হরিণ, ভালুক, ঘোড়া, হনুমান, বানর, শিয়াল, সাপসহ হরেক রকম পাখি।

এখানে রাতে থাকতে চাইলে পার্কের রেষ্ট হাউজে থাকতে পারবেন। দর্শনার্থীদের বাড়তি আকর্ষণ হিসেবে পার্কে রয়েছে কৃত্রিম লেকে নৌবিহারের ব্যবস্থা। লেকে সুসজ্জিত নৌকায় আপনি ঘুরে বেড়াতে পারবেন। পার্কে একটি গোলাপ বাগানও রয়েছে। পুরো পার্কটি সাজানো হয়েছে হাজারো দেশি-বিদেশি ফুল দিয়ে।

যেভাবে যাবেনঃ-

ঢাকার গুলিস্তান থেকে রূপসী, রূপসী থেকে মঠেরঘাট হয়ে রাসেলপার্ক অথবা এছাড়া ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের যে কোনো বাসে চড়ে ভুলতা বা গাউছিয়া বাসস্ট্যান্ডে নেমে রিকশাযোগেও পৌঁছে যেতে পারেন সেখানে। পার্কে প্রবেশ মূল্য ২০ টাকা।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here