এম ভি দ্বীপরাজ| ট্র্যাভেল নিউজ বাংলাদেশ

314

নদীমাতৃক বাংলাদেশে লঞ্চ অন্যতম যোগাযোগ মাধ্যম। ঢাকা-মাদারীপুর রুটে এম ভি দ্বীপরাজ চলাচল করে। মেসার্স বেগম ট্রান্সপোর্টের মালিকানাধীন এই লঞ্চটি ২০০১ সালে নির্মাণ করা হয়।

 

যোগাযোগ  

  • ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে সরাসরি যোগাযোগ করা যায়। তাছাড়া মোবাইল ফোনের মাধ্যমেও  যে কোন তথ্যের জন্য যোগাযোগ করা যায়।
  • যোগাযোগ নাম্বার: +৮৮-০১৭১৬-২১৭২৭৬।

 

 

যাত্রাপথে যে সকল স্থানে যাত্রী উঠা-নামা করা হয়

১. মৃধার হাট
২. রামচর
৩. ছবিপুর
৪. অন্দারচর
৫. সাহেব রামপুর

এই সকল লঞ্চে ধারণ ক্ষমতা ৩৬৯ থেকে ৭৯১ জন। লঞ্চগুলোর আয়তন ১৩০ ফুট × ২৯ ফুট। লঞ্চগুলো তিন তলা বিশিষ্ট।

 

 

শ্রেণী ও কেবিন ভাড়া নিম্নরূপ

শ্রেণী ভাড়া সুবিধা
৩য় শ্রেণী ১৬০/- ফ্লোরিং
কেবিন (সিঙ্গেল) ৫০০/- ফ্যান
কেবিন (ডাবল) ৮০০/- ফ্যান

এই লঞ্চে মোট ৩২ টি কেবিন আছে। সাধারণত ৩ থেকে ১২ বছরের নীচে বয়স্কদের টিকেট ফ্রি। যাত্রী সাধারণের নিরাপত্তার দায়িত্বে ৪ জন আনসার থাকেন। তবে যাত্রী সাধারণের কোন বীমা করা নেই।

 

 

নিরাপত্তা ব্যবস্থা  

যাত্রী সাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত কল্পে ৪ জন আনসার সদস্য নিয়োজিত আছেন। নৌ দূর্ঘটনা সহ অন্যান্য দূর্ঘটনার কবল থেকে রক্ষা পেতে গৃহীত ব্যবস্থাসমূহ নিচে দেওয়া হল।

লাইফ বয়া ৬০টি
ফায়ার বাকেট ১৩টি
অগ্নি – নির্বাপক সিলিন্ডার ৬টি
বালির বালতি ২টি
হস্তচালিত পাম্প ১টি

উপরোক্ত যন্ত্রপাতি গুলো প্রতি তলায় ছাদের সাথে এক কোণায় রাখা আছে।

 

উক্ত লঞ্চটি ঢাকা থেকে ১ দিন পর পর যাতায়াত করে। অর্থাৎ একদিন ঢাকা থেকে ছেড়ে যায় এবং তার পরের দিন মাদারীপুর থেকে ছেড়ে আসে।

ঢাকা থেকে মাদারীপুরের উদ্দেশ্যে ছাড়ে সন্ধ্যা ৭:৪৫ মি:।
মাদারীপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছাড়ে দুপুর ২:০০ মি:।

 

 

অন্যান্য

  • লঞ্চের অভ্যন্তরে নামাজের ব্যবস্থা আছে। একসাথে ১৫ জনের মত লোক নামাজ পড়তে পারে।
  • যাত্রী সাধারণের সুবিধার্থে ফাস্ট এইড বক্সও মজুত আছে।
  • লঞ্চের অভ্যন্তরে ক্যান্টিন ও ফাস্ট ফুড শপ আছে।
  • মালামাল পরিবহনে সরকার নির্ধারিত চার্জ নেওয়া হয়।
  • কোন প্রকার অগ্রীম টিকেট প্রদান করা হয় না। যাত্রার সময় লঞ্চের অভ্যন্তরেই টিকেট পাওয়া যায়।