পটুয়াখালী জেলা | ট্র্যাভেল নিউজ বাংলাদেশ

672

পটুয়াখালী জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের বরিশাল বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। মেঘনানদীর অববাহিকায় পললভূমি এবং কিছু চরাঞ্চল নিয়ে এই জেলা গঠিত। অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমন্ডিত পটুয়াখালী বরিশাল বিভাগের একটি সম্ভাবনাময় জেলা। মেঘনা নদীর পলল ভূমি এবং ছোট ছোট চরাঞ্চল নিয়ে পটুয়াখালী গঠিত। সাগরকন্যা খ্যাত পর্যটন নগরী কুয়াকাটা এ জেলার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ। এখানে আছে একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূযোর্দয় এবং সূর্যাস্তের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য উপভোগ করার অপূর্ব সুযোগ, যা বিশ্বে বিরল। তাই দেশ-বিদেশের হাজারো পর্যটকের কাছে কুয়াকাটা অনন্য এক দর্শনীয় স্থান হিসেবে বিবেচিত।

নামকরনের ইতিহাস:-

ঐতিহাসিক ঘটনাবলি থেকে জানা যায যে, পটুয়াখালী চন্দ্রদ্বীপ রাজ্যের অন্তর্ভক্ত ছিল। পটুয়াখালী নামকরণের পিছনে প্রায় সাড়ে তিনশত বছরের লুন।টন অত্যাচারের ইতিহাস জড়িত আছে বলে জানাযায়। পটুয়াখালী শহরের উত্তর দিক দিয়ে প্রবাহিত নদীটি পূর্বে ভরনী খাল নামে পরিচিত ছিল। ষোড়শ শতাব্দীর শুরু থেকে পর্তুগীজ জলদস্যুরা এই খালের পথ দিয়ে এস সন্নিহিত এলাকায় নির্বিচারে অত্যাচার হত্যা লুন্ঠন চালাত। স্থানীয় লোকেরা এই হানাদারদের ‘নটুয়া’ বলত এবং তখন থেকে খালটি নটুয়ার খালনামে ডাকা হয়। কথিত আছে, এই “নটুয়ার খাল” খাল থেকে পরবর্তীতে এ এলাকার নামকরণ হয় পটুয়াখালী।

ভৌগোলিক সীমানাঃ-

পটুয়াখালী জেলার উত্তরে বরিশাল জেলা, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, পুর্বে ভোলা জেলা এবং পশ্চিমে বরগুনা জেলা অবস্থিত।

পটুয়াখালী জেলায় ৮টি উপজেলা

পটুয়াখালী সদর

বাউফল

দশমিনা

গলাচিপা

কলাপাড়া

মির্জাগঞ্জ

দুমকি

রাঙ্গাবালী

বিখ্যাত ব্যক্তিত্বঃ-

মোহাম্মদ কেরামত আলী

শাহরিয়ার ইসলাম

কবি খন্দকার অাব্দুল খালেক

ডাক্তার কামরুন নেছা (ভাষা সৈনিক)

এ এন আনোয়ারা বেগম ( ভাষা সৈনিক)

এ্যাড: জেবুন নেছা ( ভাষা সৈনিক)

স্মরণ ইমাম (কবি)

শেরে বাংলা একে ফজলুল হক

বিখ্যাত খাবারঃ-

বাপ্পি

বিখ্যাত স্থানঃ-

সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের কুয়াকাটায়

কুয়াকাটা বৌদ্ধবিহার

শ্রীরামপুর মিয়াবাড়ি মসজিদ

মিঠাপুকুর

কানাইবালাই দীঘি

কমলা রানীর দীঘি

সুলতান ফকিরের মাজার

নুরাইনপুর রাজবাড়ি

শাহী মসজিদ

লাউকাঠী ওয়াপদা কলনী দিঘি

শ্রীরামপুর প্রাচীন আমরের মসজিদ

কিভাবে যাবেনঃ-

নদ-নদী ও সমুদ্র বেষ্টিত এই জেলায় যাতায়াতের জন্য নৌ-পথই সবচেয়ে সহজ যোগাযোগ মাধ্যম। এছাড়া সড়ক পথেও এই জেলায় যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে। ঢাকা সদরঘাট নদী বন্দর লঞ্চ টার্মিনাল থেকে ঝালকাঠির উদ্দেশ্যে লঞ্চ ছেড়ে যায়। ঢাকা থেকে ঝলকাঠির উদ্দেশ্যে যেসব গাড়ি ছেড়ে যায় গুলিস্তান থেকে।