খোয়া সাগরর দীঘি| ট্র্যাভেল নিউজ বাংলাদেশ

618

শহরের তীব্র যানজট আর নানা রকম ব্যাস্ততায় আমরা রীতিমত হাঁপিয়ে যাই সবসময়ই,তাই সুযোগ বা ছোট কোন ছুটি পেলেই দৌঁড়ে পালাই প্রকৃতির নিকটে একটু প্রশান্তির জন্য। আর একবুক নিশ্বাস আর প্রশান্তির হু হু বাতাস নেওয়ার জন্য এরকম বহু মানুষ ছুটে আসে খোয়া সাগরর দীঘি পাড়ে। চারপাশে সবুজ গাছগাছালিতে পরিপূর্ণ, হু হু বাতাস আর পানির কলকাকলিতে আপনার মন অনায়াসে ভরে যাবে,দীঘির এ পাশ থেকে ও পাশ এতটাই দীর্ঘ যে সব সময় কুয়াশাছন্ন মনে হয়,যার কারনেই এটি খোয়া সাগর দীঘি নামে পরিচিত। এছাড়াও আশেপাশে ঘুরতে পারবেন তখনকার জমিদারদের স্মৃতি বিজড়িত কিছু স্থান,তাই তাই অনায়াসে ঘুরে আসতে পারেন একসাথে বেশ কিছু জায়গা। ও হ্যা চাইলে আপনি দীঘির জলে নৌকা করে ঘুরতেও পারবেন।

লক্ষীপুর জেলা সদরের দালাল বাজার অংশে এ দীঘির অবস্থান, প্রায় দু’শ বছর আগে স্থানীয় মানুষের পানির অভাব মিটানোর জন্য এ দীঘি খনন করা হয়, এ দীঘির সাথে একটি রূপকথার গল্প জড়িয়ে আছে। জানা যায়, একবার এক বরযাত্রী তাদের নববধূকে নিয়ে দীঘির পাড় দিয়ে যাচ্ছিল। সে সময় বর যাত্রীদের পানির পিপাসা পেলে তারা যাত্রা বিরতি দিয়ে দিঘীতে নেমে পানি পান করে, নববধূও নেমেছিল পানি পান করার জন্য। কিন্তু যখন নববধূটি অঞ্জলি ভরে পানি পান করতে যাচ্ছিল-অমনি তার পা দুটি ধরে কে যেন তাকে নিচের দিকে টেনে নিয়ে যায়। বধূটি আর ফিরে আসেনি। সেই থেকে ঐ স্থানটিতে গভীর গর্ত হয়ে আছে। প্রচন্ড খরায় সারা দীঘি শুকিয়ে গেলেও ঐ স্থানটি শুকায় না।

কিভাবে যাওয়া যায়:

লক্ষ্মীপুর জেলায় যোগাযোগের প্রধান সড়ক হল ঢাকা-লক্ষ্মীপুর মহাসড়ক এবং চট্টগ্রাম-লক্ষ্মীপুর মহাসড়ক। সব ধরণের যানবাহনে যোগাযোগ করা যায়। লক্ষীপুর নেমে সিএনজি বা অটোরিক্সা যোগে খোয়া সাগরর দীঘি আসা যায়