বাংলাদেশিদের জন্য তুরস্কের ই-ভিসা চালু

25

বাংলাদেশিদের জন্য তুরস্কের ই-ভিসা চালু

তুরস্ক ভ্রমণের জন্য বাংলাদেশিদের ই-ভিসা: বিস্তারিত তথ্য

২০১৩ সাল থেকে তুরস্ক বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ করতে ই-ভিসা সার্ভিস চালু করেছে। এটি বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশের পর্যটকদের জন্য তুরস্কে প্রবেশ করা সহজ করে তুলেছে। বাংলাদেশের নাগরিকরাও এখন ইন্টারনেটের মাধ্যমে তুরস্কের ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন।

ই-ভিসার মাধ্যমে বাংলাদেশিরা তুরস্কে কী কী করতে পারবেন:

  • অবকাশ যাপন: ই-ভিসা ব্যবহার করে পর্যটন ভিসার মাধ্যমে ৩০ দিন তুরস্কে অবস্থান করা যাবে।
  • ব্যবসা: ব্যবসায়িক ভিসার মাধ্যমে ৯০ দিন তুরস্কে অবস্থান করা যাবে।

ই-ভিসার বৈধতা:

  • তুর্কি ই-ভিসা দেশটিতে প্রবেশের তারিখ থেকে শুরু করে ১৮০ দিনের জন্য বহাল থাকে।
  • কেউ অতিরিক্ত সময় অবস্থান করতে চাইলে একটি পৃথক তুর্কি ভিসার প্রয়োজন হবে।

ই-ভিসার সুবিধা:

  • দূতাবাস বা কনস্যুলেটে ব্যক্তিগতভাবে যেতে হবে না।
  • অনলাইনে দ্রুত এবং সহজে আবেদন করা যাবে।

ই-ভিসার জন্য যোগ্যতা:

  • বাংলাদেশ, ভারত, ইরাক, আফগানিস্তান, নেপাল, ভুটান ইত্যাদি দেশ শুধু সিঙ্গেল এন্ট্রি ই-ভিসার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবে।
  • শেনজেন দেশ, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা আয়ারল্যান্ডের যেকোনো একটি থেকে বৈধ ভিসা বা পর্যটন ভিসা থাকতে হবে।
  • অথবা শেনজেন দেশ, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা আয়ারল্যান্ডের যেকোনো একটি থেকে বসবাসের অনুমতি থাকতে হবে।

ই-ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

  • কমপক্ষে ছয় মাসের বৈধতাসহ একটি বৈধ পাসপোর্ট।
  • তাদের ইনবক্সে ই-ভিসা পাওয়ার জন্য একটি বৈধ ই-মেইল ঠিকানা।
  • ই-ভিসা ফি প্রদানের জন্য একটি ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড।
  • একটি ফিরতি টিকিট।
  • হোটেল বুকিং।
  • ভ্রমণের জন্য আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ।

আবেদন প্রক্রিয়া:

  • https://www.evisa.gov.tr/ ওয়েবসাইটে যান।
  • “Apply Now” ক্লিক করুন।
  • প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করুন।
  • কাগজপত্র আপলোড করুন।
  • ই-ভিসা ফি প্রদান করুন।
  • আবেদন জমা দিন।

সাধারণত আবেদন অনুমোদন করতে 24 ঘন্টা সময় লাগে।