ওভারসীজ কুরিয়ার| ট্র্যাভেল নিউজ বাংলাদেশ

338

বিদেশে পণ্য এবং গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র পাঠানোর জন্য ওভারসীজ কুরিয়ারকে বেছে নেয়া যেতে পারে। ঢাকার মগবাজারের অফিস ছাড়া অন্য কোথাও এদের শাখা নেই। এটি আসলে জাপানের ওভারসীজ কুরিয়ারের বাংলাদেশী এজেন্ট। এদের মাধ্যমে দেশের ভেতর পণ্য পাঠানোর সুযোগ নেই।

প্রধান অফিসের  ঠিকানা ও যোগাযোগ

Suvasta House থেকে ২০ গজ পূর্বে এবং গ্রীন টাওয়ার থেকে ১৫ গজ উত্তরে হোটেল গোল্ডেন স্টারের দ্বিতীয় তলার উত্তর পশ্চিম কোণে অবস্থিত।

ঠিকানা: Overseas Courier Service

২৮৪ (৩য় তলা), বড় মগবাজার, ঢাকা-১২১৭।

ফোন- +৮৮- ৯৩৫২৪৩১, ৮৩২১১৬৯, ৮৩২১৯২২

মোবাইল- ০১৮১৯-২১৬৫০৬

ফ্যাক্স- ৮৮-০২-৮৩১১৮০২

ফ্যাক্স- ০২-৮৮৫৩৪৮২

ই-মেইল- ocsdac@citechco.net

হট-লাইন: ০১৮৩০-৮৫৯৩১৩ ( বিকাল- ৫টায় কল দিবো।)

 

খোলা বন্ধের সময়সূচী

ছুটির দিনসহ প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত খোলা থাকে।

 

সেবাসমূহ

গার্মেন্টস ফ্যাক্টরীর স্যাম্পল, হালকা পণ্য, উপহার, জরুরি কাগজপত্র, ছাত্রদের বিদেশে ভর্তির ক্ষেত্রে ভিসাসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং বিভিন্ন হালকা জিনিসপত্র পৌঁছে দেবার কাজ করে থাকে এই কুরিয়ার সার্ভিসটি। ভারী পণ্যের মধ্যে ১০ থেকে ২০ কেজি সীমার মধ্যে পণ্য প্রেরণ করা যায়। টাকা, সোনা, রুপা জাতীয় জিনিসপত্র পাঠানো যায় না। তবে সিসিআই এর অনুমোদন থাকলে এগুলো পাঠানো যায়। অবৈধ পণ্য প্রেরণ প্রতিহত করার জন্য কুরিয়ার অফিসের কর্মীদের সামনে প্যাকেট করতে হয়। প্রয়োজনে কর্মীরাই প্যাকেট করে দেয়। এজন্য কোন অর্থ দিতে হয় না।

 

নিচে কিছু দেশে পণ্য প্রেরণের মাশুল উল্লেখ করা হল

স্থান পণ্যের ওজন খরচ
সিঙ্গাপুর ১ কেজি ১৪০০ টাকা
কানাডা ১ কেজি ১৯৩৫  টাকা
আমেরিকা ১ কেজি ১৯৩৫  টাকা
জাপান ১ কেজি ১০০০ টাকা

 

নিয়মাবলী 

  • প্রেরণকারীকে নির্দিষ্ট ফরম পূরণ করে অফিস ম্যানেজারের কাছে সেটি জমা দিয়ে সীলমোহরযুক্ত প্রেরণের প্রমাণপত্র বুঝে নিতে হয়। পণ্য প্রেরণের মাশুলও ম্যানেজারের হাতে দিতে হয়।
  • পণ্য সময়মত পৌছানো সম্ভব না হলে কোন ক্ষতিপূরণ দেয়া হয় না। তবে পণ্যটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে ৫০% ক্ষতিপূরণ দেয়া হয়। ক্ষতিপুরণের জন্য অফিস ম্যানেজারের সাথে যোগাযোগ করতে হয়। সাধারণত এক থেকে দুই দিনের মধ্যেই ক্ষতিপূরণের টাকা দেয়া হয়।
  • পণ্য পৌঁছে দিতে গিয়ে প্রাপককে পাওয়া না গেলে যাচাই সাপেক্ষে প্রাপকের পরিবারের সদস্যের কাছে সেটি পৌঁছে দেয়া হয়। আর সেটাও সম্ভব না হলে প্রাপককে ফোনে জানানো হয় এবং প্রাপক অফিসে গিয়ে পণ্যটি সংগ্রহ করেন।

 

বিভিন্ন দেশে পার্শ্বেল পৌঁছানোর ক্ষেত্রে সাধারণত যে পরিমাণ সময় লাগে

  • সিঙ্গাপুর- ডেলিভারীর একদিন বা ৭২ ঘন্টা পর পৌঁছে।
  • কানাডা – ডেলিভারীর একদিন বা ৭২ ঘন্টা পর পৌঁছে।
  • হংকং- ডেলিভারীর একদিন বা ৭২ ঘন্টা পর পৌঁছে।
  • তাইওয়ান- ডেলিভারীর একদিন বা ৭২ ঘন্টা পর পৌঁছে।