খুলনা জেলা | ট্র্যাভেল নিউজ বাংলাদেশ

628

খুলনা জেলা বাংলাদেশের একটি জেলা। এটি খুলনা বিভাগ এর অন্তর্গত। বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবন খুলনা জেলায় অবস্থিত। এ ছাড়াও খুলনা জেলায় রয়েছে অপরূপ নৈসর্গিক সৌন্দর্য। খুলনা জেলার উত্তরে যশোর ও নড়াইল জেলা; দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর; পূর্বে বাগেরহাট জেলা এবং পশ্চিমে সাতক্ষীরা জেলা রয়েছে। এর আয়তন ৪৩৯৪.৪৫ কিমি।

নামকরনের ইতিহাস:-

হযরত পীর খানজাহান আলীর (র.) স্মৃতি বিজড়িত ও ভৈরব-রূপসা বিধৌত পৌর শহর খুলনার ইতিহাস নানা ভাবে ঐতিহ্য মন্ডিত। খুলনা নামকরণের উৎপত্তি সম্বন্ধে নানান মত রয়েছে। সবচেয়ে বেশি আলোচিত মতগুলো হলো : মৌজা ‘কিসমত খুলনা’ খুলনা খুলনা; ধনপতি সাওদাগরের দ্বিতীয় স্ত্রী খুল্লনার নামে নির্মিত ‘খুল্লনেশ্বরী কালী মন্দির’ থেকে খুলনা; ১৭৬৬ সালে ‘ফলমাউথ’ জাহাজের নাবিক দের উদ্ধার কৃত রেকর্ডে লিখিত ঈঁষহবধ শব্দ থেকে খুলনা। ইংরেজ আমলের মানচিত্রে লিখিত ঔবংংড়ৎব-ঈঁষহধ শব্দ থেকে খুলনা,- কোনটি সত্য তা গবেষকরা নির্ধারণ করবেন।

অবস্থান ও আয়তন:-

খুলনা জেলার উত্তরে যশোর ও নড়াইল জেলা; দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর; পূর্বে বাগেরহাট জেলা এবং পশ্চিমে সাতক্ষীরা জেলা রয়েছে। এর আয়তন ৪৩৯৪.৪৫ কিমি।

খুলনা জেলার উপজেলাগুলি

কয়রা

ডুমুরিয়া

তেরখাদা

দাকোপ

দিঘলিয়া

পাইকগাছা

ফুলতলা

বটিয়াঘাটা

রূপসা

উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব:-

খান জাহান আলী (১৩৬৯ – ২৫ অক্টোবর ১৪৫৯) – ইসলাম ধর্ম প্রচারক ও বাগেরহাটের স্থানীয় শাসক;

কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার (১৮৩৪ – ১৯০৭) – স্বনামধন্য কবি;

মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৮২৪-১৮৭৩)-সনামধন্য কবি ও নাট্যকার;

আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় (২ আগস্ট ১৮৬১ – ১৬ জুন ১৯৪৪) – প্রখ্যাত বাঙালি রসায়নবিদ,

বিজ্ঞানশিক্ষক, দার্শনিক, কবি;

মৃণালিনী দেবী (মার্চ ১৮৭৪ – ২৩ নভেম্বর ১৯০২) – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সহধর্মিনী;

রসিকলাল দাস (১৮৯৯ – ৩ আগস্ট ১৯৬৭) – ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন অন্যতম ব্যক্তিত্ব এবং অগ্নিযুগের বিপ্লবী;

অতুল সেন (মৃত্যুঃ ৫ আগস্ট ১৯৩২) – ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন অন্যতম ব্যক্তিত্ব এবং অগ্নিযুগের শহীদ বিপ্লবী;

অনুজাচরণ সেন (জুন ১৯০৫ – ২৫ আগস্ট ১৯৩০) – ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন অন্যতম ব্যক্তিত্ব এবং অগ্নিযুগের শহীদ বিপ্লবী;

বিখ্যাত খাবার:-

সন্দেশ

নারিকেল

গলদা চিংড়ি

বিখ্যাত স্থান:-

সুন্দরবন

রেলস্টেশনের কাছে মিস্টার চার্লির কুঠিবাড়ি

দক্ষিণডিহি

পিঠাভোগ

রাড়ুলী

সেনহাটি

বকুলতলা

শিরোমণি

বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের সমাধি সৌধ

চুকনগর

গল্লামারী

খানজাহান আলী কর্তৃক খননকৃত বড় দীঘি

মহিম দাশের বাড়ি

খলিশপুর সত্য আশ্রম

সোনাডাঙ্গা সোলার পার্ক

যেভাবে যাবেনঃ-

ঢাকা থেকে সরাসরি বাস কিংবা ট্রেইনে চেপে সরাসরি খুলনা জেলা  শহরে পৌঁছানো যায়। ঢাকার গাবতলি,সায়দাবাদ,মহাখালি বাস টার্মিনাল গুলো থেকে বাস পাওয়া যায়।কমলাপুর স্টেশন থেকে ট্রেইন যাত্রা শুরু হয়। তবে রেল সংযোগ খুলনা পর্যন্ত। খুলানা থেকে বাসে করে যেতে হয়।