বাংলাদেশ থেকে কিভাবে চায়না ভিসা প্রসেসিং করবেন?

1698

বাংলাদেশ থেকে কিভাবে চায়না ভিসা প্রসেসিং করবেন?

প্রিয় সম্মানিত পাঠক বৃন্দ প্রথমে মহান সৃষ্টিকর্তার নাম নিয়ে শুরু করছি। সবাই আমাদের সালাম ও শুভেচ্ছা গ্রহণ করবেন। আশা করি আপনারা সবাই পরম করুণাময়ের অশেষ রহমতে ভালোই আছেন।বাংলাদেশ থেকে কিভাবে চায়না ভিসা প্রসেসিং করবেন? বন্ধুরা বর্তমানে আমাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন যারা চায়না থেকে সরাসরি বিভিন্ন পণ্য দেশে এনে ব্যবসা করে থাকেন, আর আমাদের মধ্যে অনেকেই জানেন না কিভাবে বাংলাদেশ থেকে চায়না ভিসার জন্য আবেদন করতে হয়? আর তাই আজ আমরা জানবো বাংলাদেশ থেকে চায়না ভিসার জন্য আবেদন করতে হলে কি কি ডকুমেন্টস লাগবে।

চায়না ভিসারজন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসঃ

চায়না ভিসা আবেদন ফরম

১।পাসপোর্ট (নূন্যতম ৬ মাস মেয়াদ থাকতে হবে)।

২। ব্যাংক ব্যালেন্স নূন্যতম ১ থেকে ২ লক্ষ টাকা(জন প্রতি) সহ বিগত ৬ মাসের ব্যাংক      ষ্টেটম্যান্ট এবং ব্যাংক সলভেন্সী সার্টিফিকেট

৩। ব্যবসায়ীদের জন্য ট্রেড লাইসেন্স ইংরেজীতে অনুবাদ সহ নোটারী কপি, কোম্পানী প্যাড ও ভিজিটিং কার্ড ইংরেজিতে।

৪। চাকুরীজীবীদের জন্য অফিস থেকে এনওসি লেটার, ভিজিটিং কার্ড ও অফিসের আইডি কার্ডের কপি।

৫। ছবি ২ কপি ৩৩×৪৮ সাইজ রঙ্গিন, সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড, ম্যাট প্রিন্ট।

৬।ফরওয়ার্ডিং লেটার বা কোম্পানি প্যাড অথবা বিজনেস হলে ট্রেড লাইসেন্স নোটারী সহ ইংরেজীতে  অনুবাদ

৭। ভিজিটিং কার্ড ( স্টুডেন্ট হলে আইডি কার্ডের ফটোকপি)

৮। চায়না হতে ভিসা ইনভাইটেশন লেটার ভিসা প্রসেস কারী ট্রাভেল এজেন্ট ব্যবস্থা করিবেন

ভিসা ফি:

  • সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসা ফি: ২০৫০ টাকা
  • ডাবল এন্ট্রি ভিসা ফি: ২৫৫০ টাকা
  • চায়না ছযমাস মেয়াদ ডাবল এন্ট্রি ৩৬০০ টাকা (আগে চায়না যাওয়া থাকলে)।
  • এক বছরের মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা ৬০০০ টাকা (আগে চায়না ডাবল এন্ট্রি ভিসা থাকতে হবে।

ভিসা প্রসেসিং ফি: ১৮০০/-টাকা

ভিসা প্রসেসিং ‍সময়: ৫ থেকে ৭দি

 আর্জেন্ট ডেলিভারি নিতে চাইলে অতিরিক্ত ৩,০০০ টাকা দিতে হবে (সময় ৩ দিন)। (শর্ত সাপেক্ষ ফ্রেশ পাসপোর্টে চায়না ভিসা করা হয়।)

চায়না হোটেল ভাড়া:

চায়নায় বিভিন্ন মানের হোটেল পাওয়া যায়। ১০০০ থেকে ২০০০ টাকায়ও হোটেল পাওয়া যায় । তবে সবচেয়ে ভালো হবে, যদি এই ঠিকানায় যোগাযোগ করেন ভালো করে বলে দিতে পারবে।

চীনে স্টুডেন্ট ভিসা:

কেন আপনি চীনে পড়তে যাবেন?

চীন বর্তমান বিষের সবচেয়ে প্রভাবশালী অর্থনীতির দেশ। একবিংশ শতাব্দীর বিশ্বকে তারাই নেতৃত্ব দিবে। আফ্রিকা থেকে ভারত উপমহাদেশ, আমেরিকা থেকে ইউরোপ সব দেশেই চীনা পণ্যের দাপুটে অবস্থান। ইদানীং কালে চীন তাদের শিক্ষা ব্যবস্থার উপর ব্যাপক জোর দিয়েছে। ওয়ার্ল্ড রাঙ্কিং এ চীনের বেশ কয়েকটি ইউনিভার্সিটি স্থান দখল করে আছে। সারা বিশ্ব থেকেই এখন চীনে প্রচুর স্টুডেন্ট পড়তে আসছে। এর পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হল চীনা সরকার বিদেশী স্টুডেন্টদেরকে তাদের দেশে পড়তে স্কলারশিপ দিচ্ছে। এ স্কলারশিপের অধীনে কেউ সম্পূর্ণ টিউশন ফিস মওকুফ পাচ্ছে। আবার কেউ আবাসন পাচ্ছে। কেউ বা আবার দুটোই পাচ্ছে অর্থাৎ আবাসন ও টিউশন ফিস সম্পূর্ণ অথবা আংশিক মওকুফ পাচ্ছে। এদের মধ্যে  ভাগ্যবান অনেকে আবাসন, টিউশন ফিসের সঙ্গে মাসিক স্টাইপেন্ড পাচ্ছে ! এর অংকও নেহাত কম নয়। প্রতিমাসে ২৫০০ ইউয়ান থেকে ৩৫০০ পর্যন্ত পেয়ে থাকে। প্রতি ইউয়ানের দাম বাংলাদেশি টাকায় ১৩ টাকার মত প্রায়। এই তো গেল স্কলারশিপের কথা। কিন্তু চীনের বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর ডিগ্রীর গ্রহণযোগ্যতাও সারা বিশ্ব জুড়ে। অর্থাৎ আমাদের দেশের স্টুডেন্টদের জন্য এটি একটি বিশাল সুযোগ। তাই সকল সম্ভাবনাময় স্টুডেন্টরা এই বিষয়টি  ভেবে দেখতে পারেন।

চীনের শিক্ষা ব্যবস্হা:

চীনের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রিত হয় চীনা এডুকেশন বোর্ড দ্বারা। দুই ধরনের মাধ্যমে তাদের শিক্ষা ব্যবস্থা প্রচলিত আছে। এর একটি হল ইংরেজি মাধ্যম আরেকটি চাইনিজ। বিদেশি ছাত্ররা তাদের পড়াশুনা ইংরেজি বা চাইনিজে চালাতে পারবে। চীনের বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বের সেরা ১০০০ এর মধ্যে আছে যেগুলি বিশ্বমানের শিক্ষা প্রদান করে আসছে। চীনা সরকার জাপান, আমেরিকা,ফ্রান্স, ব্রিটেন সহ আরও ৬৫ দেশের সঙ্গে মিউচুয়াল এগ্রিমেন্ট করেছে, ফলে  চীনা ইউনিভার্সিটিগুলির সার্টিফিকেটের গ্রহণযোগ্যতা বেড়েছে।

চীনের কিছু সেরা  ইউনিভার্সিটি নাম:

চীনের বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয় ওয়ার্ল্ড রাঙ্কিং এর সেরা ১০০০ এর তালিকায় রয়েছে। তার মধ্যে সেরা কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম এখানে আমি উল্লেখ করছি।

গুয়াংডং ইউনিভার্সিটি অফ ফরেন স্টাডিজ

  • গুয়াংডং ইউনিভার্সিটি অফ ফরেন স্টাডিজ
  • নানজিং নরমাল ইউনিভার্সিটি
  • চীনা ইউনিভার্সিটি অফ পলিটিকাল সায়েন্স অ্যান্ড ল
  • সাউথেস্ট জিয়াও টং ইউনিভার্সিটি
  • সাউথ চীনা নরমাল ইউনিভার্সিটি
  • বেইজিং ফরেস্ট্রি ইউনিভার্সিটি
  • জিয়াংশু ইউনিভার্সিটি
  • শেনজেন ইউনিভার্সিটি

বেইজিং ফরেস্ট্রি ইউনিভার্সিটি

যাদের সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ড

  • কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং
  • সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং
  • কেমিস্ট্রি(অরগানিক, ইনঅরগানিক,পলিমার কেমিস্ট্রি এবং ফিজিক্স }
  • আর্কিটেকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং
  • টানেলিং অ্যান্ড আন্ডারগ্রাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং
  • জিওটেকনিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং
  • কন্সট্রাকশন টেকনোলোজি এন্ড প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট
  • ম্যাথম্যাটিকস
  • ফিজিক্স
  • বায়োলজি
  • টেক্সটাইল সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং
  • এমবিবিএস

 ভিসা আবেদন প্রসেস সংক্রান্ত:

যোগাযোগ করুন আমাদের ভিসা সহায়ক ব্যবাস্হাপক এর সাথে

মোবাইল:(+88) 01978569293)

ওয়েবসাইট:  www.airwaysoffice.com
ই-মেইল: myvisaapplicationinfo@gmail.com

অনলাইনে আবেদন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন

যাদের কমার্স ব্যাকগ্রাউন্ড

  • এমবিএ
  • একাউন্টিং
  • টেকনিক্যাল ইকোনমিক্স এন্ড ম্যানেজমেন্ট
  • এন্ট্রার প্রাইজ ম্যানেজমেন্ট
  • প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট

যাদের আর্টস ব্যাকগ্রাউন্ড 

  • সোশ্যাল সায়েন্স
  • ইকনমিক্স
  • সাইকোলজি
  • লিটারেচার
  • ক্রিয়েটিভ আর্টস ডিজাইন

আমাদের ভিসা প্রসেসিং ফি  ১৮০০টকা (অর্থ প্রদানের জন্য এখানে ক্লিক করুন)

চীনে পড়াশুনার খরচ এবং লিভিং করচ:
সাধারণত চীনে থাকা খাওয়া খরচ মিলে প্রায় ১০০০ হাজার থেকে ১৫০০০ এর মধ্যে হয়ে যায় । আর স্কলারশিপ পেলে তো আরও কমে যাবে।
চীনে পড়তে টিউশন ফিস কেমন লাগে?
বেশিরভাগ চীনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনার খরচ সম্পূর্ণ ফ্রি।  তবে যারা মেডিকালের স্টুডেন্ট তাদের অবশ্যই
টিউশন ফিস দিতে হবে। সেক্ষেত্রে পুরো এমবিবিএস কমপ্লিট করতে প্রায় ১৫ লাখ টাকার মত লাগবে বিশ্ববিদ্যালয় ভেদে কম বেশি হতে পারে।

চীনে পড়তে কি যোগ্যতা লাগে

  • ব্যাচেলরে ভর্তি হতে গেলে কমপক্ষে এইচএসসি বা সমমান সনদ লাগবে।
  • মাস্টার্স করতে গেলে কমপক্ষে ব্যাচেলর কমপ্লিট করা থাকতে হবে।

চীনে স্কলারশিপের যোগ্যতা

  • ব্যাচেলরের জন্য
  • এস এস সিও এইচ এস সি তে কমপক্ষে জিপিএ .৪.০০ করে মোট ৮.০০ পেতে হবে কোনটাতে ৪.০০ এর নিচে হলে স্ক্লারশিপ পাওয়া কঠিন হয়ে যাবে।
  • আর মাস্টার্সের জন্য জিপিএ ৪ এর মধ্যে কমপক্ষে ৩.০০ পেতে হবে।

স্কলারশিপে কি কি ‍সুবিধা পাবেন

  • টিউশন ফি ফ্রি।
  • বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আবাসনের ব্যবস্থা করা হবে।
  • মাসিক স্টাইপেন্ড ৫০০/১৭০০/৩০০০ আরএমবি ( বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রদান করা হবে)।

 আমাদের সাহায্য কেন নিবেন

 আমরা স্টুডেন্টের রেজাল্ট ও ব্যাকগ্রাউন্ড অনুযায়ী ফাইল কালেক্ট করি। তারপর তাদের যোগ্যতা অনুসারে সেরা ইউনিভার্সিটি ও সাবজেক্ট বাছাই করে স্কলারশিপ এর জন্য সেরা চেষ্টা টুকু করি।

আমরা গনহারে ফাইল নেই না।আমাদের কাছে কোয়ান্টিটির চেয়ে কোয়ালিটি  বেশি গুরুত্বপূর্ণ।তাই,  আমরা অল্প করে ফাইল নেই ভাল্ভাবে কাজ করি ।

কোন ধরনের প্রতারণা করার কোন অতীত বদনাম নেই আর ভবিষ্যতে এমন ইচ্ছাও আমাদের নেই। আমরা গ্রাহকদের সঙ্গে দীর্ঘদিনে সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে চাই।

যেকোনো দেশের এয়ার টিকেট, হোটেল বুকিং, হেলিকপ্টার সার্ভিস, টুরিস্ট ভিসা প্রসেসিং এবং প্যাকেজ ট্যুর করে থাকি। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন নিচের ঠিকানায়।

zooFamily (community of aviation & travel)

রোড ৩, হোল্ডিং ৩, সুইট ৩৪,হ্যাপি আর্কদিয়া শপিং মল,ধানমণ্ডি,ঢাকা ১২০৫, বাংলাদেশ। মোবাইল নাম্বার: ০১৭৬৮২৩২৩১১