অস্ট্রিয়া স্টুডেন্ট ভিসা

1178

অস্ট্রিয়া আবেদনের আগে যা জানা দরকার

 

অস্ট্রিয়াতে আপনি HSC এরপর সরাসরি ব্যাচেলরে ভর্তি হতে পারবেন না। বাংলাদেশ থেকে ১২+ শিক্ষার যোগ্যতা থাকতে হবে এবং সেটা চলমান থাকতে হবে অর্থাৎ HSC এরপর বাংলাদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা চলমান থাকতে হবে এবং আপনি যে বিষয়ে বাংলাদেশে পড়তেছেন ঐ বিষয়েই অস্ট্রিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে পারবেন। কিন্তু আপনি অস্ট্রিয়ায় গিয়ে সরাসরি ব্যাচেলর শুরু করতে পারবেন না। আপনাকে ওখানে গিয়ে প্রথমে Preparatory Course করতে হবে। তারপর একটা Exam নিবে, উপযুক্ত নম্বর পেলেই কেবল ব্যাচেলর শুরু করতে পারবেন। অস্ট্রিয়া আবেদনের আগে যা জানা দরকার

আপনি কেন অস্ট্রিয়াতে পড়বেন ?

অস্ট্রিয়া সেন্ট্রাল ইউরোপের একটি অর্থনৈতিক শক্তিশালী সেনজেনভুক্ত দেশ। এ দেশের প্রধান ভাষা জার্মান ( অস্ট্রীয় জার্মান )। রাজধানী ভিয়েনা, যা বিশ্বের একটি ঐতিহ্যবাহী রাজধানী এবং ভিয়েনা ২০১৬ সহ অনেক বারই বসবাসের জন্য সেরা শহর (১ নম্বর ) হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। । যদি ইউরোপে উচ্চশিক্ষা ও উন্নত ক্যারিয়ার নিয়ে ভেবে থাকেন, তাহলে অস্ট্রিয়া হতে পারে আপনার জন্য একটি আদর্শ দেশ। এতে ৯ টি রাজ্য রয়েছে। দেশটির আয়তন ৮৩,৮৭৯ বর্গ কিঃমিঃ এবং জনসংখ্যা ৮৬,৬২,৫৮৮ ( ২০১৫ পর্যন্ত)। দেশটির মাথাপিছু আয় খুবই ভাল ৪৭,১৭৯ মার্কিন ডলার ( ২০১৫ পর্যন্ত )। স্বাক্ষরতার হার ৯৯%। অস্ট্রিয়ার মুদ্রার নাম ইউরো। এর উত্তরে চেক প্রজাতন্ত্র ও জার্মানি, দক্ষিনে স্লোভেনিয়া ও ইতালি, পূর্বে হাঙ্গেরি ও স্লোভাকিয়া এবং পশ্চিমে সুইজারল্যান্ড ও লিশ্চটেইন্সটাইন অবস্থিত।

ইউনিভার্সিটিতে আবেদনের সময় যাবতীয় তথ্যাবলি

অস্ট্রিয়াতে কিছু পুরাতন ও বিখ্যাত ইউনিভার্সিটি রয়েছে। তার মধ্যে University of Vienna অন্যতম। এটি ১৩৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি ইউরোপের ৩য় পুরাতন ইউনিভার্সিটি। অস্ট্রিয়ান সরকারী ইউনিভার্সিটিগুলোতে বাংলাদেশসহ থার্ড লিস্টভুক্ত দেশগুলোর জন্য কোন প্রকার টিউশন ফি প্রদান করতে হয় না। শুধুমাত্র ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্ট ইউনিয়ন ফি প্রদান করতে হয় (প্রায় ১৯ ইউরো প্রতি সেমিস্টার)। অস্ট্রিয়ার শিক্ষার মান বেশ ভাল এবং আন্তরজাতিকভাবে স্বীকৃত।

 

আবেদনের যোগ্যতাসমূহঃ

অস্ট্রিয়াতে বেশিরভাগ ইউনিভার্সিটিগুলোর ব্যাচেলর পড়ার মাধ্যম জার্মান, তবে মাস্টার্স ও পিএইচডি তে যথেষ্ট ইংরেজি মাধ্যম রয়েছে। যেহেতু বেশিরভাগ মাধ্যমই জার্মান, তাই জার্মান ভাষার যোগ্যতা হিসেবে German Language B2 লাগে আর ইংরেজি মাধ্যমের জন্য কমপক্ষে IELTS 6 লাগে। তবে আপনি জার্মান ভাষা চাইলে অস্ট্রিয়া গিয়েও শিখতে পারেন। অনেক সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়েই জার্মান ভাষা শিখায়। সরকারী ইউনিভার্সিটিগুলোতে জার্মান ভাষা শিখতে প্রতি সেমিস্টার ৪৫০-৫০০ ইউরো এর মত লাগবে। তবে প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে সেটা অনেক বেশি ( ১৫০০-২৫০০ ) ইউরো এর মত লাগবে। অস্ট্রিয়ায় ভর্তি ও ভিসা প্রসেসিং হতে অনেকটা দীর্ঘ সময় লাগে (৪-৬ মাস)।

বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

আমাদের ভিসা প্রসেসিং ফি  ১৮০০টকা (অর্থ প্রদানের জন্য এখানে ক্লিক করুন)

অস্ট্রিয়া ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

  • এসএসসি ট্রান্সক্রিপ্ট এবং সনদপত্র
  • এইচএসসি প্রতিলিপি এবং সনদপত্র
  • ব্যাচেলর চলমান নথি (প্রয়োজনে)
  • ব্যাচেলর ট্রান্সক্রিপ্ট এবং সনদপত্র (মাস্টারদের জন্য আবেদন করা)
  • পরিচয়ের প্রমাণ (এনআইডি / পাসপোর্টের অনুলিপি)
  • আইইএলটিএস সনদপত্র (প্রয়োজন হলে)
  • জার্মান ভাষার সনদপত্র (প্রয়োজন হলে)
  • সুপারিশ পত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, মাস্টার্স / পিএইচডি জন্য আবেদন)
  • অনুপ্রেরণা পত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, মাস্টার্স / পিএইচডি জন্য আবেদন করা)

 

 

  • পাসপোর্ট (পাসপোর্টের মেয়াদ ৬ মাসের বেশি থাকতে হবে)
  • সাম্প্রতিক তোলা দুই কপি ছবি। সাদা পটভূমিতে ছবি তুলতে হবে, চোখে কালো চশমা বা মাথায় টুপি জাতীয় কিছু রাখা যাবে না আর ছবিতে অবশ্যই পুরো মুখমণ্ডল আসতে হবে।
  • ভ্রমণ শেষ হওয়ার পরও অন্তত ছয় মাস মেয়াদ আছে এমন পাসপোর্ট জমা দিতে হবে।
  • পাসপোর্টের ডাটা পেজগুলোর ফটোকপি যুক্ত করতে হবে।
  • অন্তত ৩০ হাজার ইউরো মূল্যমানের স্বাস্থ্য বীমা প্রয়োজন হবে।
  • জমা দেয়া প্রতিটি কাগজের মূলকপির সাথে একটি করে ফটোকপিও দিতে হবে।
  • আবেদনপত্রের ভাষা অথবা ফর্মের ঘরগুলো ইংরেজিতে পূরণ করতে হবে। সুইডিশ, ডেনিশ, অথবা নরওয়েজিয়ান ভাষাতেও পূরণ করা যাবে।
  • শিশুদের ক্ষেত্রে বাবা মা বা বৈধ অভিভাবকের অনুমতিপত্র জমা দিতে হবে। এছাড়া শিশুদের ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে বাবা-মা বা অভিভাবকে অবশ্যই দূতাবাসে উপস্থিত থাকতে হবে।
  • প্রতিটি ভিসার জন্য প্রায় ৬০ ইউরো সমপরিমাণ টাকা এডমিনিস্ট্রেশন ফি হিসেবে জমা দিতে হয়। ভিসা সাক্ষাতকারের পরপরই এই ফি দিতে হয়।

 

ভিসা সংক্রান্ত তথ্য

অস্ট্রিয়ান এমব্যাসি বাংলাদেশে না থাকায় আপনাকে ভিসার জন্য পাশের দেশ ভারত যেতে হবে। তবে সেজন্য আপনাকে আগে এমব্যাসির ওয়েবসাইট এ গিয়ে এপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে। এমব্যাসির ওয়েবসাইট এপয়েন্টমেন্ট এর লিঙ্ক সহ প্রয়োজনীয় সকল লিঙ্ক নিচে দেওয়া আছে। তবে যদি আপনার সকল কাগজপত্র ঠিক থাকে তাহলে এমব্যাসি আপনাকে ভিসা দিতে বাধ্য। কারণ ভিসার অনুমোদন সাধারণত অস্ট্রিয়ান স্থানীয় কর্তৃপক্ষ (যেখানে আপনার Accommodation) থেকে আসে। ব্যাংক সল্ভেন্সি হিসেবে এমব্যাসি তে যাওয়ার আগে আপনাকে নিজের ব্যাংক একাউন্টে থাকা-খাওয়া খরচ বাবদ এক বছরের জন্য [ ,৮৯৭.১৬ ইউরো অর্থাৎ প্রতি মাসে ৪৯১.৪৩ ইউরো ( বয়স ২৪ পর্যন্ত হলে )/ ১০,৬৭৮.০৮ ইউরো অর্থাৎ প্রতি মাসে ৮৮৯.৮৪ ইউরো ( বয়স ২৪ এর উপরে হলে ) ] দেখাতে হবে, ব্লক একাউন্ট নয় (আপডেট ২০১৭)। তবে আপনার হোস্টেল/বাসা ভাড়া যদি প্রতি মাসে ২৮৪.৩২ ইউরো এর বেশি হয় সেক্ষেত্রে এই পরিমাণ আরও বেশি হবে ( কত হবে সেটা অস্ট্রিয়ান অথরিটি / এমব্যাসি বলে দিবে ) – আপডেট ২০১৭। আর সে টাকা ভিসা পাওয়ার পর উঠিয়ে ফেলতে পারবেন।

তা ছাড়া আমাদের সেবা নিতে পারেন  ষ্টুডেন্ট ভিসার জন্য ক্লিক করুন এখানে

যেকোনো দেশের এয়ার টিকেট, হোটেল বুকিং, হেলিকপ্টার সার্ভিস, টুরিস্ট ভিসা প্রসেসিং এবং প্যাকেজ ট্যুর করে থাকি। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন নিচের ঠিকানায়।

zooFamily (community of aviation & travel)

রোড ৩, হোল্ডিং ৩, সুইট ৩৪,হ্যাপি আর্কেড শপিং মল,ধানমণ্ডি,ঢাকা ১২০৫, বাংলাদেশ। মোবাইল নাম্বার: ০১৭৬৮২৩২৩১১