অস্ট্রেলিয়া যেতে ভিজিটর ভিসা

1218

অস্ট্রেলিয়া যেতে ভিজিটর ভিসা

পৃথিবীর অন্যতম সুন্দর দেশের একটি অস্ট্রেলিয়া। ঐতিহাসিক ও প্রাকৃতিক, উভয় দিক থেকেই সমৃদ্ধ দেশটি। ছুটি কাটানো, বা প্রিয়জনের সাথে সাক্ষাত , নানা কারনেই অস্ট্রেলিয়ায় ভিজিটর ভিসার জন্যে আবেদন করতে পারেন।শুধু তাই নয়,অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্য ছাড়া অন্য যেকোন উদ্দেশ্যে তিন মাসের কম সময়ের জন্য অস্ট্রেলিয়ার ভিজিটর ভিসার জন্য আবেদন করা সম্ভব।অস্ট্রেলিয়া যেতে ভিজিটর ভিসা

শুধু তাই নয়, পড়াশুনার উদ্দেশ্য ছাড়াও কেবল মাত্র তিন মাসের কম সময়ের কোন কোর্স করতেও ভিজিটর ভিসায় অস্ট্রেলিয়ান ভিসার আবেদন করা যায়।

 

কারা আবেদন করতে পারবে?

 

-সাধারনত যেকোনো পাসপোর্টধারী অস্ট্রেলিয়া যেতে ভিজিটর ভিসার জন্য আবেদন করতে পারে। আবার অস্ট্রেলিয়ায় ভিজিটর ভিসায় অবস্থানকারীরা আরও বেশি সময়ে অস্ট্রেলিয়া থাকতে চাইলে পুনরায় ভিজিটর ভিসার জন্য আবেদন করতে পারে।

-অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক বা অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ীভাবে বসবাসকারীদের মা-বাবাদের অস্ট্রেলিয়া ভ্রমণের জন্য দীর্ঘমেয়াদী ট্যুরিস্ট ভিসা দেয়া হয়।
মনে রাখবেন অস্ট্রেলিয়া যেতে ভিসা আবেদন জমা দিতে হবে ভিএফএস সেন্টারে।

ঠিকানা:ডেল্টা লাইফ টাওয়ার, ৫ম তলা, প্লট: ৩৭, সড়ক: ৯০, নর্থ এভিনিউ, গুলশান ২, ঢাকা- ১২১২। ই-মেইল:info.ausbd@vfshelpline.com

দীর্ঘ সময় থাকতে হলে বা পুনরায় ভিসা আবেদন করতে যা করবেন

অস্ট্রেলিয়ায় ভ্রমণ বা পরিবারের সদস্য ও বন্ধু-বান্ধবদের সাথে দেখা করতে ভিজিটর ভিসা দেয়া হয়। দীর্ঘসময় অবস্থানের জন্য এ ধরনের ভিসা দেয়া হয় না। ভবিষ্যতে আবার ভিজিটর ভিসার জন্য আবেদন করতে চাইল তাকে অবশ্যই লম্বা একটা সময় অস্ট্রেলিয়ার বাইরে কাটাতে হবে। ভিজিটর ভিসার আওতায় অস্ট্রেলিয়ায় এক বা একাধিকবার প্রবেশের সুযোগ পাওয়া যাবে। সাধারণভাবে ভিসার মেয়াদ তিন মাস। তবে ছয় মাস বা একবছর মেয়াদী ভিসাও দেয়া হয়।

টুরিস্ট ভিসার জন্যে ভিসা ফি ৯৯১০ টাকা। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক বা ব্র্যাক ব্যাংকে ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে বাংলাদেশী টাকায় অস্ট্রেলিয়ান ভিসা এপ্লিকেশন সেন্টারে ভিসা ফি জমা দেয়া যায়। ব্যাংক ড্রাফট মাশুল ৩০০ টাকা। ভিএফএস সেন্টারে ব্র্যাক ব্যাংকের একটি কাউন্টারও আছে। ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যাত হলেও ভিসা ফি ফেরত দেয়া হয় না।

 

অস্ট্রেলিয়ায়  আকর্ষণীয় জায়গাগুলির সংখ্যা এত বেশি যে আপনার নিজের দ্বারা কোনও ছুটির অনুষ্ঠান আঁকানো কেবল অসম্ভব, বিশেষত যদি কোনও ভ্রমণকারীদের এই দেশে থাকার অভিজ্ঞতা না থাকে। সুতরাং এয়ারওয়েজ অফিস নিম্নলিখিত ধরণের ট্যুর তৈরি করে।

 

  1. সারা বছর ভ্রমণ;
  2. Holidays ছুটির জন্য বুকিং;
  3. এয়ার টিকেটিং
  4. হোটেল বুকিং
  5. পেকেজ ট্যুর
  6. হেলিকপটার সার্ভিস
  7. টুরিস্ট ভিসা প্রসেসিং

 

আবেদনপত্রের সাথে যেসব কাগজপত্র জমা দিতে হবে:

 

এক্ষেত্রে মনে রাখবেনঃ

-আবেদনপত্রের সাথে সর্টিফাইড কপি জমা দিলেই চলবে। কোন কাগজের মূল-কপি জমা দেয়ার প্রয়োজন নেই। মূল-কপি প্রয়োজন হলে আলাদাভাবে উল্লেখ করা হবে।

-কোন কাগজ ইংরেজিতে না থাকলে সেটার যথাযথ ইংরেজি অনুবাদও জমা দিতে হবে। ভিসা আবেদনের সাথে পূর্ণাঙ্গ তথ্য দেয়া হচ্ছে কিনা সেটা নিশ্চিত করতে হবে।

– বর্তমান এবং আগের পাসপোর্টের (যদি থাকে) সত্যায়িত কপি প্রয়োজন হবে। নোটারী পাবলিকের মাধ্যম সত্যায়ন করতে হবে। ভিএফএস অফিস থেকেও মূল পাসপোর্ট দেখিয়ে সত্যায়ন করে নেয়া যায়।

-জন্মসনদের সত্যায়িত কপি লাগবে। জন্মসনদে বাবা-মা উভয়ের নাম উল্লেখ থাকতে হবে।

 

অন্যান্য কাগজপত্রঃ

আমাদের ভিসা প্রসেসিং ফি  ১৮০০টকা (অর্থ প্রদানের জন্য এখানে ক্লিক করুন)

 ভিসা আবেদন প্রোসেস সংক্রান্ত:

যোগাযোগ করুন আমাদের ভিসা সহায়ক ব্যবাস্হাপক এর সাথে

মোবাইল:(+88) 01978569293)

ওয়েবসাইট:  www.airwaysoffice.com
ই-মেইল: myvisaapplicationinfo@gmail.com

-অস্ট্রেলিয়া যেতে পর্যাপ্ত অর্থ থাকার প্রমাণ দেখাতে হবে। যে উদ্দেশ্যে অস্ট্রেলিয়া যাওয়া হচ্ছে তার স্বপক্ষে প্রমাণ দেখাতে হবে।

-কোন সংস্থার আমন্ত্রণে অস্ট্রেলিয়া গেলে সে আমন্ত্রণপত্র এবং  কনফারেন্সে যোগ দিতে অস্ট্রেলিয়া গেল রেজিস্ট্রেশনের বিস্তারিত।

-অফিসিয়াল কারণে যেতে হলে চাকুরিদাতার তরফে লেখা চিঠি যেখানে ভ্রমণের উদ্দেশ্য উল্লেখ করা হবে।

ভিসা প্রসেসিং এর জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট

 

০১. পাসপোর্ট
০২. বিগত ছয় মাসের ব্যাংক এস্টেটমেন্ট ও সলভেন্সি
০৩. ট্রেড লাইসেন্স ( ইংলিশ ট্রানসেলেট এন্ড নোটারিজ)
০৪. চাকুরীজিবীদের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের ছুটির দরখাস্ত
০৫. প্রতিষ্ঠানের ব্লাংক প্যাড ও ভিজিটিং কার্ড
০৬. চাকুরীজিবীদের অফিস আইডি কার্ডের ফটোকপি
০৭. ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি
০৮. টি.আই.এন সার্টিফিকেট , ইনস্যুরেন্স (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
০৯. ছবি (২কপি)
১০. স্পাউস ভোটার আইডি
১১. বাচ্চাদের স্কুল আইডি/জন্ম সনদের ফটোকপি
১২. ইউ. এস. এ, ইউ. কে ও ইউরোপের এর ক্ষেত্রে সম্পত্তির বিবরন

সাধারণত আবেদন নিষ্পত্তিতে ৩০ দিন লাগে। তবে স্বাস্থ্যপরীক্ষা বা অতিরিক্ত তথ্য প্রয়োজন হলে সময় বেশি লাগতে পারে।

যেকোনো দেশের এয়ার টিকেট, হোটেল বুকিং, হেলিকপ্টার সার্ভিস, টুরিস্ট ভিসা প্রসেসিং এবং প্যাকেজ ট্যুর করে থাকি। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন নিচের ঠিকানায়।

zooFamily (community of aviation & travel)

রোড ৩, হোল্ডিং ৩, সুইট ৩৪,হ্যাপি আর্কদিয়া শপিং মল,ধানমণ্ডি,ঢাকা ১২০৫, বাংলাদেশ। মোবাইল নাম্বার: ০১৭৬৮২৩২৩১১